ভগ্ন-হৃদয়
শ্রাবন্তী মন্ডল

এই ঘাটেতে কেবল তোমার
পায়ের শব্দ শুনি,
জলতরঙ্গের ছলাৎ-ছলাৎ
হাট বারেতে কিনি।
ভগ্ন-হৃদয়, শুন্য স্মৃতি
তোমার আনাগোনা,
পূর্ণিমাতেও দেখছি আমি
অন্ধ জোছনা।
শ্যাওলা ভরা ঘাটের সিঁড়ি
আশায় আছে খুব,
আবার তোমার নরম পায়ের
স্পর্শে হবে চুপ।
তখন আমার ভগ্ন-হৃদয়
রাখব তোমার কাছে,
বন্ধকি এই হৃদয়খানি
রেখো বুকের মাঝে।
রাখতে না চাও, ফিরিয়ে দিও,
তিক্ত কিছুক্ষণ,
আমারই এই হৃদয়ে তুমি
থেকো সারা জীবন।
আমি অশ্রু রাখতে জানি
আমার খাতার ভাঁজে,
সারাজীবন সঙ্গী হবো,
হয়তো, অন্য কোনো সাজে।
তোমার স্নিগ্ধ হাসির সুরে
গান বাঁধবো আমি,
চিরজীবন থাকবে তুমি
আমার কাছে দামি।
হৃদয় আমার ভগ্ন হলেও
স্পষ্ট তোমার স্মৃতি,
শ্যাওলা ধরা ঘাটের বাঁশে
বাজছে বাঁশির গীতি।
কবি পরিচিতি :
শ্রাবন্তী মন্ডল, কলকাতার গায়ে বাড়ি, জেলা দক্ষিন চব্বিশ পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত। ছোটবেলা থেকেই কবিতা লিখতেন, এবং স্থানীয় পত্রপত্রিকায় ছাপতেন ও কবি সভায় কবিতা পড়তেন। এখন একজন কবি ও পেইন্টার, এবং নার্সিং বিষয়ে স্নাতক স্তর শেষ করতে চলেছেন। বিবিধ বিষয় নিয়ে কাজ করেন। পেইন্টার হিসেবে এখন থেকেই নেন পারিশ্রমিক। এগিয়ে চলেছেন কবিতা নিয়েও। সেই সাথে নার্সিং স্নাতক স্তর নিয়ে ব্যাস্ত। বাড়ির পরিবেশ চায়, শ্রাবন্তী নারী হলেও তার পূর্ণ ইচ্ছা নিয়ে সে সৃষ্টিশীল কাজে উজ্জ্বল জায়গা নিক। কুসংস্কার মুক্ত পরিবারে জন্ম ও বেড়ে ওঠা, তাঁর ক্ষেত্রে স্বাধীন হয়ে স্বপ্ন দেখা ও সেগুলিকে বাস্তবায়িত করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। মুক্ত চিন্তার পরিবার বিশ্বাস করেন, নারী মানে তথাকথিত নিজ উপলব্ধিকে অস্বীকার করার জীবন নয়, বরং মানুষ হিসেবে সঠিক অধিকার তার দরকার।
—————————-
অসাধারণ ও মানসম্মত এ পত্রিকাটির উত্তরোত্তর উৎকর্ষতা ও প্রচার বৃদ্ধি হোক।
Very nice composition. L
অশেষ ধন্যবাদ
খুব সুন্দর। কবিতা গুল নতুন ভাবের।
খুব সুন্দর লেখা