চমকে দেওয়া দার্শনিক মতবাদ -১ :
মহান বলে এক পক্ষ কেউ নির্দিষ্ট নেই চিরকালের জন্য
|| Surprising philosophical openion: No one, no side, is great for ever, By Ridendick Mitro ||
—————————-
ঋদেনদিক মিত্রো ( ভারত )
আমাদের একটা ভালো অভ্যেস আছে যে মহানদের বানী পড়তে ও ভাবতে ভালোবাসি। কিন্তু, সেগুলি আমাদেরকে জাগায় না। উপলব্ধিতে জাগায়, বাস্তবে প্রয়োগে জাগায় না। কারণ, অবচেতনে আমাদের মাঝে একটা বিশ্বাস ঢুকে গেছে যে, মহাপুরুষ, বিদুষী বলে একটা আলাদা শ্রেনী আছে।
এটা তাঁরা ভাবেননি, আর ভাবাননি। কিন্তু, আমরা ভেবে নিয়েছি। আর, এর ফলে আমাদের স্বাভাবিকতা থেকে অধঃপতন হয়। তাই সংসার, সমাজ, রাষ্ট্র ও বিশ্বে জনগন কেবলি বিপন্নতা ও বিষণ্ণতার দিকে যাচ্ছে। এবং, এত ভালো-ভালো বানী ও আদর্শের বই পড়েও কিছু বাস্তব লাভ হয় না। এই দিকটা কি আমরা আগে লক্ষ করেছি? এবার নিশ্চয় খেয়াল করালাম।
আত্মবিশ্বাস রাখুন। আমিও দুনিয়ার কারোর চেয়ে কম চিন্তা করতে পারিনা। আপনিও পারেন না। আমি এটা বিশ্বাস করি। আপনি করেন না। তাই আপনার মেধা চুপ আছে, আমার মেধা চুপ নেই। এটাই পার্থক্য।
এই বিশ্বের নতুন মুক্তি দাতা ঋদেনদিক মিত্রো বলছি যে,
মহাপুরুষদিগের বানী পড়ে কিছু কাজ হলে, বিশ্ব তোলপাড় হয়ে কেবলি সর্বনাস হতো না, পরিবার, সমাজ, দেশ ও পৃথিবী।
আমি সারা বিশ্বকে এটাই জানাতে চাই, মহাপুরুষের চোখে নয়, নেতানেত্রীদের চোখে নয়, ধর্মগুরুর চোখে নয়, নিজের চোখে নিজেকে দেখ, সমাজ, দেশ ও বিশ্বকে। নিজে খুঁজে পাবে সব বিপন্নতা থেকে নিজে বেরুনোর পদ্ধতি। এইভাবে সবাই যখন একক নিয়মে নিজের স্বচ্ছ চিন্তার আত্মবিশ্বাস খুঁজে পাবে, তখন সব অশান্তি ও বিসৃঙখলা সরে যাবে।
হে পৃথিবীর সবাই, তোমরাই মহাপুরুষ, তোমরাই বিদুষী। কারণ, মানুষের সাধারণ গঠনরূপ, চেতনার সত্বায় একই। সেটা বাইরে আনার অভ্যেস করলেই সব ঠিক। অন্য মহানদেরকে শ্রদ্ধা করো তোমাদের পূর্বসূরি হিসেবে, তাঁদের সাপেক্ষে নিজেদেরকে অক্ষম ভেবে নয়।”
———————————–
অসাধারণ ও মানসম্মত এ পত্রিকাটির উত্তরোত্তর উৎকর্ষতা ও প্রচার বৃদ্ধি হোক।
Very nice composition. L
অশেষ ধন্যবাদ
খুব সুন্দর। কবিতা গুল নতুন ভাবের।
খুব সুন্দর লেখা