শিরোনাম–আমার জামাই সবার সেরা

কলমে–নীতা কবি মুখার্জী
আমার জামাই সবার সেরা, হাসলে মুক্তো ঝরে,
দামী ঘরের ছেলে, উচ্চ বংশ দেখে এনেছি ঘরে।
জামাই এসেছে,বড় ধুমধাম, শাশুড়ী -মাতার গর্ব,
মিষ্টি বিলায় সকলকে ডেকে, জামাই দেখার পর্ব ।
শাশুড়ী, ননদী রান্নায় ব্যস্ত, শ্বশুর-মশাই নাজেহাল!
ঝুড়ি -ঝুড়ি আম-লিচু চায়, আর চায় দুটো কাঁঠাল।
কাঁচা সবজী টাটকা এনো, দু-হাজার দরের ইলিশ চাই,
গাওয়া ঘিয়ের লুচি-সুজি হবে, সের খানেক এনো তাই।
কচি পাঁঠার মাংস হলে সুনাম যাবে কুটুম্ব-বাড়ী,
রসগোল্লা,পান্তোয়ার সাথে এনো এক ভাঁড় রাবড়ী।
ভালো ব্র্যাণ্ডের প্যাণ্ট-শার্ট এখনো, সবকিছু হয় দামী
মেয়ের জন্য বালুচরী শাড়ী, না হয় এনো জামদানী।
গালিচা খানা ভালো করে পেতে পাখার বাতাস কর তোরা,
সেগুন কাঠের টেবিলটা দে,সোনা দিয়ে আছে মোড়া।
প্রদীপ জ্বালা, শঙ্খ বাজা, জামাই বরণ কর্
আপদ-বালাই দূরে যাবে প্রদীপটা জ্বেলে ধর্।
আর-না, আর-না করে শ্বাশুমাতা খাওয়ান যে জামাতারে,
শালাশালী আর বধূমাতা সব দাঁড়ায় সারে সারে।
খাওয়া দাওয়া সেরে জামাই-বাবু আসর জমায় ঘরে,
সবার ঘরেই খুশী আসে যেন ষষ্ঠীমাতার বরে।
শালাশালীদের হাসি মস্করাই ওষ্ঠাগত প্রাণ,
জামাই-বাবাজীর অম্লান হাসি মুখে মিষ্টি পান।
বসো না ,বাবা! আগে ছবি তোলো, স্টেটাস দিতে হবে,
ফেসবুকের ফলোয়াররা দেখে সব ধন্য ধন্য করবে।
কতো যে ছবি, কতো যে সেলফি, ফেসবুকের যুগ, বাবা!
স্টেটাস আর ছবি শেয়ারের ঠেলায় হয়ে যায় হাবা-গোবা।
জ্যোতি কাকু বলতেন, জীবন বড় সুন্দর।একটা মানুষ জীবনে সব হারিয়েও এই কথা টা এমন ভাবে বলতেন যে বিশ্বাস করতে ইচ্ছে…
Khub sundor lekha ta. Ami aga-gorai tomar lekhar fan dada. Ei vabei chalie jao.
অসাধারণ ও মানসম্মত এ পত্রিকাটির উত্তরোত্তর উৎকর্ষতা ও প্রচার বৃদ্ধি হোক।
Very nice composition. L
অশেষ ধন্যবাদ