বর্ষা
শ্যামল মণ্ডল

আষাঢ়ে বর্ষা এসে
দিয়েছে শ্রাবণ ধারা,
এসেছে নদীতে বান
করেছে গৃহ ছাড়া।
অবলা গৃহের পশু
ভেসেছে বানের জলে,
চাষীদের ক্ষেতের ফসল
গেল সব জলের তলে।
পুকুরে চাষ করা মাছ
নদীতে সাঁতার কাটে,
শ্রাবণে শেষ করে সব
ফিরে যায় খেয়াঘাটে।
বর্ষা না এলে যে
চলে না চাষীদেরও,
জমিতে জল না হলে
হবে না চাষের কাজও।
নদীও শুকিয়ে যাবে
পুকুরে থাকবে না জল,
শুকাবে গাছগাছালি
শুকাবে ক্ষেতের ফসল।
খেয়ালি বর্ষাকে তাই
হবে আজ বাগ মানাতে ,
প্রকৃতি ধ্বংস নয় আর
মেতে যাই গাছ লাগাতে ।
গ্রামের ছবি: প্রকৃতির নিসর্গ সৌন্দর্যের প্রতিচ্ছবি
গ্রাম মানেই শান্তি, সবুজ আর প্রকৃতির এক অপূর্ব মিলনস্থল। এই ছবিটি যেন সেই চিরচেনা গ্রামীণ জীবনের প্রতিচ্ছবি, যেখানে কাঁচা রাস্তা ধরে হাঁটলে চোখে পড়ে সবুজ ক্ষেত, গাছপালা আর নদীর ধারে এক নির্জন সৌন্দর্য।
শহরের ব্যস্ততার বাইরে গ্রামের এই পরিবেশ মানুষের মনে এনে দেয় এক অদ্ভুত প্রশান্তি। এখানে নেই যানজট, নেই কোলাহল—শুধু পাখির ডাক, হালকা বাতাস আর প্রকৃতির মধুর স্পর্শ। এই ধরনের গ্রামীণ দৃশ্য শুধু আমাদের চোখকে আরাম দেয় না, মনকেও করে তোলে সতেজ।
গ্রামের জীবনযাত্রা অনেক সহজ এবং প্রাকৃতিক। কৃষকরা মাঠে কাজ করে, নদীতে মাছ ধরা হয়, আর সন্ধ্যায় গ্রামজুড়ে নেমে আসে এক অপূর্ব শান্তি। এই ছবিতে সেই সরল জীবনযাত্রারই এক নিখুঁত প্রতিফলন দেখা যায়।
বর্তমান যুগে, যখন মানুষ প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, তখন এই ধরনের গ্রামের ছবি আমাদের মনে করিয়ে দেয় প্রকৃতির কাছে ফিরে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা। প্রকৃতি আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, আর গ্রাম সেই প্রকৃতির সবচেয়ে কাছের রূপ।
তাই, এই গ্রামের ছবি শুধু একটি দৃশ্য নয়—এটি একটি অনুভূতি, একটি স্মৃতি এবং একটি শান্ত জীবনের প্রতীক।

অসাধারণ ও মানসম্মত এ পত্রিকাটির উত্তরোত্তর উৎকর্ষতা ও প্রচার বৃদ্ধি হোক।
Very nice composition. L
অশেষ ধন্যবাদ
খুব সুন্দর। কবিতা গুল নতুন ভাবের।
খুব সুন্দর লেখা