বিষয়-বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস (৭ই এপ্রিল)
অভিজিৎ দত্ত (জিয়াগঞ্জ, মুর্শিদাবাদ)
৭ই এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। সুস্থ, সুন্দর স্বাস্থ্যের উপর দেশ ও সমাজের উন্নয়ন নির্ভর করে।আমাদের শাস্ত্রে বলা হয়,স্বাস্থ্যই সম্পদ। এই স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য কমবেশী সকলেই সচেষ্ট। মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন করার জন্য ডাক্তারবাবুরা ছাড়াও বিভিন্ন সংস্থাও সচেষ্ট। এইজন্য ৭ই এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস হিসাবে পালন করা হচ্ছে।৭ই এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস হিসাবে কেন পালন করা হয় তার একটি ইতিহাস আছে।১৯৪৬সালের ফেব্রুয়ারিতে রাষ্ট্রসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের সম্মেলন ডাকার সিদ্ধান্ত নেয়।১৯৪৬সালের জুন ও জুলাই মাসে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাংগঠনিক আইন গৃহীত হয়।১৯৪৮ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে ৭ই এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালনের প্রস্তাব দেয়া হয়।১৯৫০সালে তা কার্যকরী হয়।অর্থাৎ ৭ই এপ্রিল থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালন শুরু হতে থাকে।প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক ও স্হানীয়ভাবে দিবসটি পালন করা হয়।২০২৫ সালের বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের মূল ভাবনা ,মা ও শিশুর স্বাস্থ্য। ২০২৪ সালের থিম ছিল আমার স্বাস্থ্য, আমার অধিকার। সুস্থ পরিবার সমাজের ভিত্তি। তাই মা ও শিশুর সুস্বাস্হ্যের উপর সমাজের মঙ্গল নির্ভর করে।তাই মা ও শিশুর স্বাস্থ্য নিয়ে বছরভর সচেতনতার প্রচার ও প্রসারের কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে সুস্থ সমাজ ও সুস্থ বিশ্ব গড়ে তোলার জন্য বদ্ধপরিকর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।কিন্তু স্বাস্থ্য মানে কি শুধু শরীরকে সুগঠিত করা বোঝায়? স্বাস্থ্য মানে শারারীক, মানসিক,সামাজিক এই তিন ধরনের জিনিসকে বোঝায়। আমরা বাইরের চেহারাটা ভাল করার জন্য সবাই সচেষ্ট অথচ মানসিক স্বাস্থ্যের বা সামাজিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য আমরা কজনই বা চেষ্টা করি ? তাই শুধু শারীরিক সচেতনতা নয়,বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে আমাদের সকলের অঙ্গীকার হোক আমরা স্বাস্থ্যের তিনটি দিকেরই উন্নতি করবো। তবেই বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালন করা আমাদের সার্থক হবে।
বিষয় ঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ( ৭ই এপ্রিল ), নিবন্ধে অভিজিৎ দত্ত আমাদেরকে বোধ নিয়ে সচেতন করেছেন। আমাদের সবজান্তা অভ্যেসকে সংশোধন করতে চেয়েছেন। বহু দিকে চিন্তা নিয়ে মুক্ত হস্তে লেখা আরো অনেক রকম লেখা চাই।