Tag: ছড়া

কবি ভূবন বন্দোপাধ্যায়ের একগুচ্ছ কবিতা

১) বন্ধু ভুবন বন্দ্যোপাধ্যায় ডাকি নাই যারে আমি কোনদিন ভুলে, অধমেরে ভালোবেসে সে তো আসে চলে । দেখায় সে পথ মোরে আমি হেঁটে যাই, দিবা নিশি তারে যেন অনুভবে পাই…

ছড়া: পারিপার্শ্বিক – প্রণব কুমার বসু

ছড়া: পারিপার্শ্বিক –প্রণব কুমার বসু ************** ল্যাংটা ছেলে ব‌ইটা ফেলে লাফ দিয়েছে গঙ্গাতে রান্না ছেড়ে ফ্যানটা গেলে দৌড়ে গেছে সামলাতে – ভাসছে পাতা নোংরা যাতা পালায় পাখি চিৎকারে হাতটা ছুঁড়ে…

ছড়া: পারিপার্শ্বিক – প্রণব কুমার বসু

ছড়া: পারিপার্শ্বিক –প্রণব কুমার বসু ************** ল্যাংটা ছেলে ব‌ইটা ফেলে লাফ দিয়েছে গঙ্গাতে রান্না ছেড়ে ফ্যানটা গেলে দৌড়ে গেছে সামলাতে – ভাসছে পাতা নোংরা যাতা পালায় পাখি চিৎকারে হাতটা ছুঁড়ে…

বাঁদরের বে – সুরজিৎ পাল

ছড়া : বাঁদরের বেকলমে : সুরজিৎ পাল ************ গাছ ভরেছেআম পড়েছেগাছের তলায় কে? বাঁদর নাচেবাঁদরী হাসেটোপর মাথায় দিয়ে। সবাই জোটেখালি পেটেউল্লুক চেঁচায় জোরে। সোনা নাচেকোলার গানেঘ্যাঙর ঘ্যাঙ সুরে। পিঁপড়ে চলেবড়ো…

শব্দ বাজি–শ্যামল মণ্ডল

শব্দ বাজি শ‍্যামল মন্ডল ফুটছে বাজি উড়ছে ধোঁয়া শব্দ বাজে গগণ ছোঁয়া ,পটকা বাজি ঝলসে আলোয় দ্বীপের আলো ঢাকছে কালোয় । বস্তী ঘরে স্বস্তি উড়ে কোন্ বাজিতে কোনটি পুড়ে ,দালান…

ভূবন বন্দোপাধ্যায়ের তিনটি ছড়া

১) বুড়িভুবন বন্দ্যোপাধ্যায় আসছে ওই একটি বুড়িচাদর নিয়ে গায়,ঠুক ঠুক ঠুক লাঠি ধরেগুটি গুটি পায় । চুলগুলো তার পাকা সবশুভ্র বসন পরে,আনছে দেখি খাবার কতনিজেই সঙ্গে করে । নলেন গুড়…

আকাশ জুড়ে চাঁদ পরীরা। সেকেন্দার আলি সেখ।

🧚‍♀️🧚‍♀️ আকাশ জুড়ে চাঁদ পরীরা 🧚‍♀️🧚 ✍️সেকেন্দার আলি সেখ✍️ আকাশ জুড়ে চাঁদ পরীরা ওই হাসে চাঁদের আলো ছড়িয়ে পড়ে —– সব ঘাসে l ফুলের বনে নাচতে থাকে সব পরী মাথায়…

বৃষ্টিদিনের ছড়া ।। শংকর দেবনাথ।।

বৃষ্টিদিনের ছড়া ************* শংকর দেবনাথ **************** আষাঢ় মাসের বেলা, বেগ-আবেগে মেঘ ও রোদের লুকোচুরির খেলা। ভিজতে হবে সৃষ্টিছাড়া বৃষ্টি নেমে এলে, ফিরছি বাড়ি তাড়াতাড়ি দুইপা-ডানা মেলে। ভয়রা বেড়ায় ভেসে, ভিজলে…

You missed

পুনরাবৃত্তি ©অঞ্জলি দে নন্দী, মম আমার বয়স তখন অধিক নহে। বিদ্যালয়ের নিম্ন শ্রেণীর ছাত্রী। বঙ্গ ভাষায় পাঠ্যরূপে সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মহাশয়ের কপালকুণ্ডলার কিয়দংশ পাঠ করান হইত। আমি শ্রেণীর খুব মেধাবিনী পঠিয়ত্রী ছিলুম। আমি প্রথম স্থান অধিকার করিয়া প্রত্যেক বৎসর ঊর্ধ্ব শ্রেণীতে গমন করিতুম। ঐ পাঠ্যের এক পত্রে বঙ্কিমচন্দ্র মহাশয় কতৃক লিখিত হইয়াছিল, ” তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন? ” পাঠ্যে ওই অংশটির নাম ছিল, ‘সাগর সঙ্গমে নবকুমার’। যাহা হউক- আমার চিত্তে এই বাক্যটি গভীরভাবে রেখাপাত করিয়াছিল। আমার সহিত উক্ত সময় নবকুমার বাবুর সহিত যেইরূপ ঘটিয়াছিল ঐরূপ কিছু ঘটিলে আমি তাহাকে ঠিক ঐরূপভাবেই গ্রহণ করিতুম। কিন্তু এই সময়ে আমি উহাকে পরিবর্তীত করিয়া লইয়াছি। এইরূপে – তুমি অতিশয় অধম সেইহেতু বলপূর্বক আমাকেও ঠিক তোমারই স্বরূপ অতি অধমে রূপান্তরিত করিতে চাহিতেছ। আমি অতি অধম না হইলে তুমি আমাকে কৌশলে এই ইহলোক হইতে পরলোকে পাঠাইয়া দিবে। সেইহেতু আমি মৃত্যুলোকবাসীনি না হইবার কারণ বসত তোমাকে সন্তুষ্ট করিবার হেতু মিথ্যা অভিনয় করিয়া তোমাকে দৃশ্য করাইয়া চলিতেছি যে আমিও তোমার স্বরূপই অতি অধমে পরিণত হইয়াছি। বাস্তবিকই তোমার প্রচেষ্টা সার্থক হইয়াছে। আমি আর পূর্বের ন্যায় অতি উত্তম নহি। কিন্তু তুমি কদাপি বুঝিতে পার নাই যে আমি প্রাণে বাঁচিয়া থাকিবার নিমিত্ত তোমার সম্মুখে এইরূপ মিথ্যা, নকল অভিনয় করিতেছি। আদৌই আমি অধম হই নাই। পূর্বে যেইরূপ অতি উত্তম ছিলুম অদ্যাপি ঐরূপই বিদ্যমান রহিয়াছি। কেবলমাত্র একটি নকল আবরণ ধারণ করিয়াছি। নতুবা অকালে তোমার হস্তে আমার প্রাণ বিসর্জিতা হইত। তদপেক্ষা ইহা অধিকতর সঠিক পথ বলিয়া আমা কতৃক ইহা বিবেচিতা।