মায়ের জন্য লাগেনা ডাক্তার, সন্তানদের কাশি হলেই বাড়ি তোলপাড়, ডাক্তার ডাকার জন্য ব্যস্ত!
তখন মনে হয় মা যেন নিজেই ভীষণ অসুস্থ!
মায়ের খিদে পায়না,সবাইকে খাইয়ে তার আনন্দ সুখ,
শেষে সবার পাত কুড়িয়ে ঢক্ ঢক্ শব্দে জল গিলে পেট পূর্তি,নেই মনে কোনো দুখ্।
তেল মাখানো, চান করানো, স্কুলের টিফিন,
মায়ের এসবে ভুল হয়না কোনদিন,
ময়লা পোশাক, ঘরবাড়ি, পরিষ্কার,নজর চারিধার, রান্নাবান্না দুবেলা প্রতিদিন,শোধ হবে না ঋণ।
মায়ের হাতে হাতেখড়ি,লেখাপড়ার পাঠ,
অঙ্ক বাংলা জলভাত, কাজের ফাঁকে দিতে দিতে ছড়ো ঝাঁট।
ঠাকুরঘরে পুজো, সন্ধ্যাবেলায় তুলসী তলায় বাতি, লক্ষ্মীবারে পড়ে পাঁচালী।
রাতের বেলায় মায়ের আঁচলের তলায়,শুনি রূপকথার গল্প, ঠাকুরমার ঝুলি।
জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী,
যুগের সঙ্গে যুগ মিলিয়ে সংসারের মহীয়সী।
মায়ের ছোট্ট আকাঙ্ক্ষা, শুধুমাত্র শুনতে সন্তানের মা ডাক,
জ্বালা যন্ত্রণা ভুলে, সন্তান কোলে তুলে, বলে মা ষষ্ঠীর কৃপা, বহু জনমের স্বাদ হয়েছে পূরণ,যা গেছে তা যাক্।
সন্তানের ভালো ছাড়া মা কিছুই চায়না,
নিজের ভালো মন্দ বোঝেনা, তার নেই কোনো বায়না!
Very nice composition. L
অশেষ ধন্যবাদ
খুব সুন্দর। কবিতা গুল নতুন ভাবের।
খুব সুন্দর লেখা
একজন লেখক এর সব থেকে বড় প্রাপ্তি তার লেখা যদি পাঠক দের হৃদয়কে স্পর্শ করতে পারে, যদি তাদের হৃদয়ে সেই…