হৃদয়ের নিবেদন :এক চিলতে ক্ষমা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
রচনাকাল : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
২০২৫ বিদায় মাগে, ফুরিয়ে এলো বেলা,
সাঙ্গ হলো বছর জুড়ে স্মৃতির যত খেলা।
দিনপঞ্জির শেষ পাতাটি ওড়ে হিমেল বায়ে,
যাওয়ার আগে প্রণাম জানাই সবার রাঙা পায়ে।
হিসাব-নিকাশ সাঙ্গ করে নিভছে রবি আজ,
স্মৃতিটুকুই আগলে রাখা— আমার সকল কাজ।
বিগত দিনের পঞ্জিকা ঘেঁটে দেখি যদি কোনো ভুল,
আচরণে মোর ব্যথা পেয়ে থাকে কোনো হৃদয়ের কূল।
অনিচ্ছাতেও দিয়েছি আঘাত, হয়তো বা কোনো কাজে,
অনুশোচনার তীব্র দহন অন্তরে মোর বাজে।
নিজ গুণে আজ ক্ষমা-সুন্দরে মার্জনা করো তবে,
মানুষ তো আমি, ভুল-ত্রুটি মোর চিরসাথী হয়ে রবে।
জীবন তো অতি নশ্বর খেয়া, মুহূর্তেই হবে শেষ,
কেন তবে মিছে মনে পুষে রাখা অভিমানে মাখা রেশ?
প্কৃতির অমোঘ রুক্ষ নিয়মে দেহ মিশবে মাটিতে,
কেউ জানে না তো দিন ফুরাবে কোন সে করুণ ঘাঁটিতে।
তিক্ততা সব ধুয়ে-মুছে আজ আপন করো হে গুণী,
হৃদয়ের এই আকুল আর্তি সস্নেহে নাও শুনি।
কলমের আঁচড়ে মিশে আছে আজ নয়ন-অশ্রু-ধারা,
কৃত্রিমতার নেই কোনো ঠাঁই, সত্যেতে আমি হারা।
সাহিত্য-নীড়ে তোমাদের সাথে কাটুক সকল বেলা,
ভালোবাসা আর শুভকামনায় ভাঙুক বিষাদ-খেলা।
অকৃত্রিম এই মিনতি আমার, ধরো মোর দুই হাত,
নব আলোকে আসুক ধুয়ে নির্মল এক প্রভাত।
মুছে যাক সব গ্লানির রেখা, ঘুচুক মনের আঁধার,
ভালোবাসায় ভরে উঠুক মোদের আগামীর সংসার।
নতুন বছর আনুক বয়ে সুখের অমল হাসি,
সৃজন-সুখে মাতুক ভুবন, বাজুক খুশির বাঁশি।
পুরাতন সব জরা ঘুচিয়ে নবীন সাজে সাজো,
হৃদয়-বীণায় মিলনের ঐ ঐক্য-তানটি বাজো।
হৃদয়ের নিবেদন : এক চিলতে ক্ষমা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
রচনাকাল : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
২০২৫ বিদায় মাগে, ফুরিয়ে এলো বেলা,
সাঙ্গ হলো বছর জুড়ে স্মৃতির যত খেলা।
দিনপঞ্জির শেষ পাতাটি ওড়ে হিমেল বায়ে,
যাওয়ার আগে প্রণাম জানাই সবার রাঙা পায়ে।
হিসাব-নিকাশ সাঙ্গ করে নিভছে রবি আজ,
স্মৃতিটুকুই আগলে রাখা— আমার সকল কাজ।
বিগত দিনের পঞ্জিকা ঘেঁটে দেখি যদি কোনো ভুল,
আচরণে মোর ব্যথা পেয়ে থাকে কোনো হৃদয়ের কূল।
অনিচ্ছাতেও দিয়েছি আঘাত, হয়তো বা কোনো কাজে,
অনুশোচনার তীব্র দহন অন্তরে মোর বাজে।
নিজ গুণে আজ ক্ষমা-সুন্দরে মার্জনা করো তবে,
মানুষ তো আমি, ভুল-ত্রুটি মোর চিরসাথী হয়ে রবে।
জীবন তো অতি নশ্বর খেয়া, মুহূর্তেই হবে শেষ,
কেন তবে মিছে মনে পুষে রাখা অভিমানে মাখা রেশ?
প্রকৃতির অমোঘ রুক্ষ নিয়মে দেহ মিশবে মাটিতে,
কেউ জানে না তো দিন ফুরাবে কোন সে করুণ ঘাঁটিতে।
তিক্ততা সব ধুয়ে-মুছে আজ আপন করো হে গুণী,
হৃদয়ের এই আকুল আর্তি সস্নেহে নাও শুনি।
কলমের আঁচড়ে মিশে আছে আজ নয়ন-অশ্রু-ধারা,
কৃত্রিমতার নেই কোনো ঠাঁই, সত্যেতে আমি হারা।
সাহিত্য-নীড়ে তোমাদের সাথে কাটুক সকল বেলা,
ভালোবাসা আর শুভকামনায় ভাঙুক বিষাদ-খেলা।
অকৃত্রিম এই মিনতি আমার, ধরো মোর দুই হাত,
নব আলোকে আসুক ধুয়ে নির্মল এক প্রভাত।
মুছে যাক সব গ্লানির রেখা, ঘুচুক মনের আঁধার,
ভালোবাসায় ভরে উঠুক মোদের আগামীর সংসার।
নতুন বছর আনুক বয়ে সুখের অমল হাসি,
সৃজন-সুখে মাতুক ভুবন, বাজুক খুশির বাঁশি।
পুরাতন সব জরা ঘুচিয়ে নবীন সাজে সাজো,
হৃদয়-বীণায় মিলনের ঐ ঐক্য-তানটি বাজো।
শিরনামহীন কবিতা, এই গুচ্ছে কবি মকলেসুর রহমান, নতুন ভাষায় কথা বলতে চান, সন্দেহ নেই। ভাষার আদল গড়তে চান নতুন করে।…
কবি প্রজ্ঞা পারিজাতের কবিতা "যত্ন" প্রেম দাম্পত্য নিয়ে লেখা কবিতা। সহজ অবয়বে এটি জীবন চর্চার গভীরে যেতে চেষ্টা করেছে। কিন্তু…
কবিতাটি প্রকাশ করবার জন্য মাননীয় সম্পাদক মহাশয় সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ মহাশয়
শ্যামল মণ্ডল রচিত "লোহার ভিতর দিয়ে হাঁটা" (১ম পর্ব) গল্পের পর্যালোচনা ◆ পর্যালোচনায় : শংকর হালদার শৈলবালা ◆ আলোচনা কাল…