কবিতা : আমি
সত্যেন্দ্রনাথ পাইন।
তারিখ- ২২ ফাল্গুন ১৪৩১!
এই যে আমি, সামনে আছি দাঁড়িয়ে নদী পাহাড় পেরিয়ে
উঠেছি বকের মতো হয়ে
বুঝবে না তো কেউ
ওরা আমায় রাগা লে রাগ হয়
নাহলে বেশ তো আছি
কথা না বললেই নয়।
প্রতি মুহূর্তে লাগছে দোলন, কখনও বিঁধছে কাঁটা বুকে
অস্বাভাবিক হয়ে ঝুঁকে।
কখনও শীতের নানান পথের ‘পরে
দিনের অষ্টম প্রহরে
দুঃখে রে করে হ্রাস দুঃখে র জ্বালায়
কতদিন জানায়।
কেননা আজ আমি আছি বেঁচে নিঃসীমে হয়ে লীন
হয়তো কোনো কাজপাগল এই দিন
কাটে না মধ্যিখানে যে সুর আনে প্রাণে
ক্ষণে ক্ষণে যেথা গৌরবে ছিল নবীন কোনো খানে।
সেখানে কোনো নিকষ অন্ধকারে মিললো ডানা
কোনো নাম না জানা ফেরার তরী খানা
ছিল একদা মেখেছিল তন্দ্রাহারা বৃষ্টিধারা
হয়ে আপনহারা
সেই সাধারণ ছেলে আমি শাখায় শাখায় জাগি
কোন যেন অরন্যের পাখি ।
মহা গগন তলে পড়ে ফাঁকি মর্মমূলে
আপন ভুলে ।
সেই সে আমি হয়েছি নত
ছিটমহলগ্রস্ত
রুদ্রের পদতলে রত
জটিল কেশপাশে
নয়তো উত্তর নিঃশ্বাসে।
ওই যে মজে যাওয়া নদীর কাছে
ছোট্ট আমের গাছে
গেছি ছুটে আমের আশে
বলি — আমি আছি আমি।
সবার মধ্যে থামি।
যদিও নইকো কোনো দামি।
আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি দাদাভাই
বাংলাদেশের লেখক, গবেষক, অধ্যাপক, কালাচাঁদ মৃত্যুর জীবন ও তাঁর আবিষ্কৃত গন কবিতা তৈরির ধারা মানব সভ্যতাক নতুন পথে এগিয়ে নিয়ে…
আমার রচিত কবিতা প্রকাশ করার জন্য কর্তৃপক্ষকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
"ঝড় এলেও ভাঙবে না", এই বহু অভিজ্ঞতার গদ্যে কবি, লেখক ও ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল মন্ডল খুব টানটান করে নানা অভিজ্ঞতার গল্প…
আমার এই কবিতাটি প্রকাশ করার জন্য মাননীয় সম্পাদক মহাশয়, এবং কাব্যপট পত্রিকার সবাইকে জানাই আমার আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।