আমাদের নগরীর রাস্তায়
অঞ্জলি দে নন্দী (মম)
দিল্লীর রাস্তায়
সস ঢেলে পাস্তায়
সে রোজ বিকালে বেচে।
খুব বিক্রী হয় তার সে আহার।
নিজের রোজগারেই নিজে আছে বেঁচে।
বয়স দশ বছর তার।
দেখে নি সে মুখ তার বাবা, মা’র।
কোথা থেকে, কবে সে এখানে এসেছে
ও সব ও কিছুই জানে না।
শুধু এ নগরকে ভালোবেসেছে।
ঈশ্বর-ফিশ্বর, ও সব কিছুই ও মানে না।
ও শুধু জানে,
বাঁচার, জীবনের আসল মানে।
মেয়েটি সকালে স্কুলে যায়।
পাস্তা বেচে যা রূপীয়া পায়,
তাতেই পড়ালেখার খরচা চলে যায়।
আমি ওকে দেখি আমার জানলা দিয়ে।
শুনি ওর খদ্দের ডাকা।
ট্রলির ওপরে ক্যামোন পাস্তা বানায় ও
সব কিছু গুছিয়ে নিয়ে।
উচ্চ স্বরে ও ওর পাস্তার দাম জানায় ও।
বিক্রেতা ও এক্কেবারে পাকা।
এক প্লেট মাত্র ত্রিশ টাকা।
অদৃশ্যে সুকর্মফল ওর সৌভাগ্যে আঁকা।
শুধু সুদিনের অপেক্ষায় থাকা।
আমার এই কবিতাটি প্রকাশ করার জন্য মাননীয় সম্পাদক মহাশয়, এবং কাব্যপট পত্রিকার সবাইকে জানাই আমার আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।
Very very nice.
Very nice
[…] শিশুর চাবি… বিশ্বনাথ সাহা […]
[…] আরও পড়ুন:-ভ্রমণ পিয়াসী : বিশ্বনাথ সাহা […]