ভারতের এক বিষ্ময়কর প্রতিভা সত্যজিৎ রায় ->>
অভিজিৎ দত্ত (জিয়াগঞ্জ, মুর্শিদাবাদ)
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতবর্ষের মুখ যারা উজ্জ্বল করেছেন তাদের অন্যতম হলেন ভারতের বিখ্যাত পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রকর ও সাহিত্যিক সত্যজিৎ রায়।১৯২১ সালের ২রা মে তিনি জন্মগ্রহণ করেন কোলকাতার বিখ্যাত রায় পরিবারে।পিতা সুকুমার রায় ও মাতা সুপ্রভাত রায় দাদুর নাম উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী।পড়াশোনা করেছেন কোলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে ও শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ।সত্যজিতের কর্মজীবন বাণিজ্যিক চিত্রকর হিসাবে শুরু হলেও ফরাসি চলচ্চিত্র নির্মাতা জঁ রনোয়ারের সাথে সাক্ষাৎ ও পরে লন্ডনে ইতালীয় নব্য বাস্তববাদী চলচ্চিত্র বাইসাইকেল চোর দেখার পর তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণে উদ্বুদ্ধ হন।তার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র, পথের পাঁচালী (১৯৫৫)১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করে।১৯৫৬ সালে জার্মানির কান চলচ্চিত্র উৎসবে এটি শ্রেষ্ঠ মানুষে আর্বতিত প্রামাণ্যচিত্র পুরস্কার লাভ করে।পথের পাঁচালি, অপরাজিত ও অপুর সংসার এই তিনটি একত্রে অপু ত্রয়ী নামে পরিচিত। এটি সত্যজিতের জীবনের শ্রেষ্ঠ কর্ম হিসাবে বহুল পরিচিত। এছাড়াও অসংখ্য ভাল,ভাল সিনেমা তাঁর নির্দেশনায় তৈরী হয়েছে ।১৯৯২ সালে পাওয়া চলচ্চিত্রের নোবেল অস্কার পুরস্কার লাভ তাঁর কর্ম জীবনের সেরা স্বীকৃতি।এছাড়াও ৩২টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ,১টি গোল্ডেন লায়ন, ২টি রৌপ্য ভল্লুক লাভ করেন। তিনি বেশ কিছু ছোট গল্প ও উপন্যাস রচনা করেছেন।কল্পবিজ্ঞানে তার নির্মিত জনপ্রিয় কাল্পনিক চরিত্র গোয়েন্দা ফেলুদা এবং প্রফেসর শঙ্কু। শিশু ও কিশোরদের জন্য তিনি অনেক গল্প লিখেছেন। বিখ্যাত পত্রিকা সন্দেশ এর জনপ্রিয় সম্পাদক ছিলেন তিনি।১৯৯২ সালে ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্ন সম্মানে সম্মানিত করা হয়।এই বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী,দেশ-বিদেশের অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মানে সম্মানিত এই মহান ব্যক্তিটির মহাপ্রয়াণ হয় ১৯৯২ সালের ২৩শে এপ্রিল। পরবর্তী কালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তার নামে ফিল্ম ইনস্টিটিউট তৈরী করেন কোলকাতায় যেখানে চলচ্চিত্র সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় শিক্ষা লাভ করতে পারবে।২৩শে এপ্রিল তাঁর প্রয়াণ দিবসে কৃতজ্ঞ চিত্তে তাকে স্মরণ করি ও একজন আদর্শ মানুষ হিসাবে নিজেকে তৈরী করতে পারি সেই প্রার্থনা করি।
আরও দেখুন কুরুক্ষেত্রে আঠারো দিন★ –Nov.- 22 কাব্যরূপ:–কৃষ্ণপদ ঘোষ (৩৬ তম উপস্থাপন অর্থাৎ দীর্ঘ তিনবছর ধরে প্রতিমাসে একটি করে পর্ব কাব্যপট পত্রিকা প্রকাশ করে চলেছে। আধুনিক কবির কলমে নতুন “মহাভারত “
অসাধারণ ও মানসম্মত এ পত্রিকাটির উত্তরোত্তর উৎকর্ষতা ও প্রচার বৃদ্ধি হোক।
Very nice composition. L
অশেষ ধন্যবাদ
খুব সুন্দর। কবিতা গুল নতুন ভাবের।
খুব সুন্দর লেখা