ধনী দরিদ্র
আপনারা সবাই জানেন, এক অজানা ভাইরাস বিশ্বত্রাস হিসাবে দেখা দিয়েছিল। এই ভয়ঙ্কর ভাইরাস প্রায় পঁচিশ লক্ষ মানুষের প্রাণ নিয়েছে। বিজ্ঞানীরা নাম দিয়েছে কোভিড 19. জনজীবনে নেমে এসেছিল অভিশাপ রূপে। চলমান জনজীবন হঠাৎ থমকে গিয়েছে। কয়েকমাস পর জনজীবন আবার স্বাভাবিকের দিকে মোড় নিয়েছে। হাট বাজার আবার খুলতে শুরু করেছে।
বহুদিন পর দুটো ব্যাগ নিয়ে বাজারে এসেছি।দুটো ব্যাগ কানায় কানায় ভর্তি করেছি। দুটো ব্যাগ নিয়ে বাড়ি আসা মুশকিল। বাড়ি যদিও কাছাকাছি। হেঁটে গেলে পাঁচ মিনিটের পথ। অগত্যা ভ্যানের আশায় দাঁড়িয়ে আছি।
মিনিট তিনেক পর আঠেরো উনিশ বছরের এক যুবক এক মহিলাকে নিয়ে ভ্যান নিয়ে এসেছে। আমি হাত দেখাতে যুবকটি ভ্যান থামিয়ে ব্যাগ দুটি ভ্যানে তুলেছে এবং আমি চড়ে বসেছি। দু মিনিটের ভেতর বাড়ির কাছে এসেছি। ব্যাগ দুটি নামিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভ্যানের ভাড়া কত জানতে চাইলাম। ছেলেটি বলল দশ টাকা। আমি পকেট থেকে একটা কুড়ি টাকার নোট বের করে ছেলেটিকে দিতে ছেলেটি বলল বাবু অনেক দিন পর ভ্যান নিয়ে বেরিয়েছি, আমার কাছে একটা পয়সাও নেই, আপনি চলে যান। আমি ছেলেটিকে জোর করে থামিয়ে পাশের মুদিখানার দোকান থেকে একটা দশ টাকার নোট এনে ছেলেটিকে দিলাম। ছেলেটি নির্বিকার চিত্তে চলে গেল।
বাড়ি আসার পর আমার নিজের ভিতর একটা দংশন শুরু হয়েছে। যার পকেটে একটা টাকাও নেই সে দশ টাকা ছেড়ে দিয়ে চলে যাচ্ছে, আর যার পকেট ভর্তি টাকা সে দশটা টাকা বেশি দিতে পারছে না! এখানে কে দরিদ্র আর কে ধনী এই দ্বন্দ্ব আমার ভিতর চলছে।
নিরঞ্জন ওঝা
আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি দাদাভাই
বাংলাদেশের লেখক, গবেষক, অধ্যাপক, কালাচাঁদ মৃত্যুর জীবন ও তাঁর আবিষ্কৃত গন কবিতা তৈরির ধারা মানব সভ্যতাক নতুন পথে এগিয়ে নিয়ে…
আমার রচিত কবিতা প্রকাশ করার জন্য কর্তৃপক্ষকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
"ঝড় এলেও ভাঙবে না", এই বহু অভিজ্ঞতার গদ্যে কবি, লেখক ও ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল মন্ডল খুব টানটান করে নানা অভিজ্ঞতার গল্প…
আমার এই কবিতাটি প্রকাশ করার জন্য মাননীয় সম্পাদক মহাশয়, এবং কাব্যপট পত্রিকার সবাইকে জানাই আমার আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।