Spread the love

গান:- আমার হৃদয় নেই কাছে
     ,,,,,,,,,,,,,,,,,
          ওয়াহিদা খাতুন 

আমার হৃদয় ডুব দিয়েছে
তোমার মনের মাঝে,,,,,,,
আমি নালিশ জানাবো কার কাছে ?
আমার হৃদয় নেইতো আমার কাছে।

ভালোবাসার চোরাবালি;
আমায় গিলে করলো ফালি;
যতো টানি আমার দিকে—-
পারিনি তো কাছে নিতে—-
সে কী আর আমার আছে?
আমি নালিশ জানাবো কার কাছে?
আমার হৃদয় নেইতো আমার কাছে —।।

সঞ্চারী

এইভাবে কি আর বাঁচা যায়,
স্বপ্ন শুধু দুচোখে ব্যথার জল ঝরায়।

ধিকিধিকি মনের আগুন,
দিনে-দিনে বাড়ে দ্বিগুণ ;
শুনলে লোকে বলবে বাজে—
মিথ্যা হাসি লোকের মাঝে,
আমি নালিশ জানাবো কার কাছে? 
আমার হৃদয় নেইতো আমার কাছে—।।
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
রচনাকাল:- ১৪/১২/২০২৩ সন্ধ্যা রাত ০৯ টা বেজে ৩২ মিনিট। (গান নং ১৩০)।
*****************************
লেখক পরিচিতি:
ওয়াহিদা খাতুন ( Wahida Khatun): একটি উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে সাহিত্যের শিক্ষিকা ও সম দায়িত্বে একজন কবি, গীতিকার। মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বঙ্গ, ভারত। ২০২১ সালে অডিশনে পাস করে Zodiak Muzik কোম্পানীর স্টাফ গীতিকার গ্রুপের একজন হয়েছেন। প্রায় আড়াইশ প্রতিযোগীর মধ্যে পাস করা মাত্র পনেরো জনের মধ্যে উনিও একজন। কলিকাতার এক প্রকাশনী থেকে বেরুচ্ছে এক শত কুড়িটি বাংলা সনেটের সংকলন গ্রন্থ। ” ভয় ” এই পূর্ণ দৈর্ঘের সিনেমায় দুটি গান লিখেছেন। সিনেমা রিলিজড হয়েছে ২০২৩, এপ্রিলে। সিনেমা ও ইউটুবে রিলিজ হওয়া অনেক গান ইউটুবে পাবেন। অয়ন্তিকা চক্রবর্তী, বিদুষী হৈমন্তি শুক্লা, কুমার চঞ্চল, সুপ্রীতি বিশ্বাস হালদার, মৌ আচার্য, শৈবাল চৌধুরি, প্রমুখ অনেকেই ওয়াহিদার গান গেয়েছেন ও গাইছেন। প্রথম প্রকাশিত বাংলা গান ” কেনো কাঁদো মা গো আমার “, সুর আর-কে-পাল, Mother voice : অয়ন্তিকা চক্রবর্তী, ও প্রথম প্রকাশিত ইংরেজি গান ” We are all brothers in the world “, Music ; Kumar Chanchal, Mother Voice : Mou Acharjee. দিয়েই সংগীতের মাঠে নেমেছিলেন। তারপর পরপর পথ চলেছে। সাহিত্যের বহু বিষয়ে কাজ করতে চান। ২০২৩, নভেম্বরে, কবিতা ও সঙ্গীত রচনার জন্য আসামে পেলেন আন্তর্জাতিক স্বর্ণ পদক, মাদার টেরেজা গোল্ড এওয়ার্ড ও ড. ভূপেন হাজারিকা স্মৃতি সম্মাননা স্মারক। বিভিন্ন পত্রপত্রিকা, সংকলন ও ওয়েবসাইটে উপস্থিত।
———————————–

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You missed

পুনরাবৃত্তি ©অঞ্জলি দে নন্দী, মম আমার বয়স তখন অধিক নহে। বিদ্যালয়ের নিম্ন শ্রেণীর ছাত্রী। বঙ্গ ভাষায় পাঠ্যরূপে সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মহাশয়ের কপালকুণ্ডলার কিয়দংশ পাঠ করান হইত। আমি শ্রেণীর খুব মেধাবিনী পঠিয়ত্রী ছিলুম। আমি প্রথম স্থান অধিকার করিয়া প্রত্যেক বৎসর ঊর্ধ্ব শ্রেণীতে গমন করিতুম। ঐ পাঠ্যের এক পত্রে বঙ্কিমচন্দ্র মহাশয় কতৃক লিখিত হইয়াছিল, ” তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন? ” পাঠ্যে ওই অংশটির নাম ছিল, ‘সাগর সঙ্গমে নবকুমার’। যাহা হউক- আমার চিত্তে এই বাক্যটি গভীরভাবে রেখাপাত করিয়াছিল। আমার সহিত উক্ত সময় নবকুমার বাবুর সহিত যেইরূপ ঘটিয়াছিল ঐরূপ কিছু ঘটিলে আমি তাহাকে ঠিক ঐরূপভাবেই গ্রহণ করিতুম। কিন্তু এই সময়ে আমি উহাকে পরিবর্তীত করিয়া লইয়াছি। এইরূপে – তুমি অতিশয় অধম সেইহেতু বলপূর্বক আমাকেও ঠিক তোমারই স্বরূপ অতি অধমে রূপান্তরিত করিতে চাহিতেছ। আমি অতি অধম না হইলে তুমি আমাকে কৌশলে এই ইহলোক হইতে পরলোকে পাঠাইয়া দিবে। সেইহেতু আমি মৃত্যুলোকবাসীনি না হইবার কারণ বসত তোমাকে সন্তুষ্ট করিবার হেতু মিথ্যা অভিনয় করিয়া তোমাকে দৃশ্য করাইয়া চলিতেছি যে আমিও তোমার স্বরূপই অতি অধমে পরিণত হইয়াছি। বাস্তবিকই তোমার প্রচেষ্টা সার্থক হইয়াছে। আমি আর পূর্বের ন্যায় অতি উত্তম নহি। কিন্তু তুমি কদাপি বুঝিতে পার নাই যে আমি প্রাণে বাঁচিয়া থাকিবার নিমিত্ত তোমার সম্মুখে এইরূপ মিথ্যা, নকল অভিনয় করিতেছি। আদৌই আমি অধম হই নাই। পূর্বে যেইরূপ অতি উত্তম ছিলুম অদ্যাপি ঐরূপই বিদ্যমান রহিয়াছি। কেবলমাত্র একটি নকল আবরণ ধারণ করিয়াছি। নতুবা অকালে তোমার হস্তে আমার প্রাণ বিসর্জিতা হইত। তদপেক্ষা ইহা অধিকতর সঠিক পথ বলিয়া আমা কতৃক ইহা বিবেচিতা।