আইবুড়ো-প্রথম পর্ব
দর্পনা গঙ্গোপাধ্যায়
সুহানা শ্রমনা সাহেলি তিন বন্ধু, তিনজনেই লেখাপড়া শেষ করে যে যার কাজে লিপ্ত রয়েছে ।
সুহাস নামক এক জনৈক ব্যক্তি সুমনার অফিসে কাজ করে। শ্রমনার সুহাসের সঙ্গে মাখো মাখো প্রেম উদ্বেলিত। অফিস ট্যুরে দুজনে অনেক এনজয় করেছে।
সুহাসের পরিবার থেকে পাত্রী হিসেবে সোহানাকে পছন্দ করেছে। সুহাস দুজনের সঙ্গেই সমান্তরাল প্রেম চালাতে শুরু করে,— সোহানার অফিসে সহেলী চাকরি করে, একদিন এক পার্টিতে সোহানা, সুহাস কে সঙ্গে করে নিয়ে যায় ,— সেখানে সহেলীকে দেখে সুহাস গদগদ হয়ে পড়ে। সুহানার চোখে যা খুবই খারাপ দেখায়
। এরপর থেকে সুহানা সুহাসকে এড়িয়ে চলতে শুরু করে।
সুহাস তখন অফিসের শ্রমনাকে সময় দিতে এতই ব্যস্ত যে সোহানার দিকে লক্ষ্য দিতে ভুলেই যায়। মাঝে মাঝে সহেলীকে ফোন করলে সহেলী কিছুদিনের মধ্যেই প্রতিষ্ঠিত এক পাত্রকে বিয়ে করে স্ট্যাটাসে ছবি ছাড়তে শুরু করে। সুহাস আবারও সুহানার দিকে তাকায়। শ্রমনা জানায় সে বসকে এ মাসেই বিয়ে করেছে ।
বেচারা সুহাস!
এখন অবশিষ্ট সুহানা
রাতে আটটা সাড়ে আটটা নাগাদ সুহানা কে বলে, একবার শোনো— আমি রাস্তায় তোমার জন্য দাঁড়িয়ে আছি!
সুহানা মাকে বলে বেরিয়ে বললো, রাস্তায় কেন ?
বাড়িতেই তো আসতে পারতে— সুহাস বলল, এই স্কুটার টা কিনলাম তোমার জন্য —
সংসার করার ইচ্ছা আছে তো ? চলো। আর দেরি নয়, —
সোহানা বলল,— ভাবছি !
Thanks for sharing. I read many of your blog posts, cool, your blog is very good.
অমর প্রেম: স্বার্থহীন বন্ধনের এক মানবিক উপাখ্যান মানবজীবনের সবচেয়ে গভীর ও পবিত্র অনুভূতির নাম প্রেম। এই প্রেম কখনো রোমান্টিক সম্পর্কের…
কবি ফরিদ হোসেন হৃদয় এর "মিলে মিশে ঈদ করব" কবিতায় হাতটা বড় মিষ্টি, কবি প্রমান করলেন। আমি আগেই বলি, আমি…
শ্যামল মণ্ডল রচিত "ছেলের চিঠি" কবিতার পর্যালোচনা পর্যালোচনায় : শংকর হালদার শৈলবালা আলোচনা কাল : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ◆ ১.…
শংকর হালদার শৈলবালা রচিত “পণ্যের হাটে ঈশ্বর" কবিতার পর্যালোচনা পর্যালোচনায় : ভাষাবিদ অপরাজেয় আলোচনা কাল : ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ◆…