• Thu. Jul 7th, 2022

Diabetes Mellitus প্রতিরোধে আদার ভূমিকা – প্রতিবেদন লিখেছেন – শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়

ByKabyapot

Jan 4, 2022

Diabetes Mellitus প্রতিরোধে আদার ভূমিকা

Diabetes Mellitus একটি Chronic Metabolic Disorder এবং এই রোগে আমাদের শরীরে গ্লুকোজের absorption এবং utilization বন্ধ হয়ে যায়। যার ফলে আমাদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। এই অবস্থাকে বলা হয় Hyperglycemia। এই রোগে আমাদের কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ফ্যাটের বিপাকক্রিয়া ভালো ভাবে সম্পন্ন হতে পারেনা। এই Diabetes mellitus রোগটির জন্যে দুটি হরমোন দায়ী এবং এই দুই হরমোন একে অপরের বিপরীতে কাজ করে অর্থাৎ এই দুটি হরমোন এর ক্রিয়া ব্যাস্তানুপাতিক।

এই দুটি হরমোন হল Insulin এবং Glucagon হরমোন। এই দুটি হরমোনের মধ্যে Insulin হরমোন উৎপন্ন হয় অগ্নাশয়ের Islets of Langerhans এর Beta cells থেকে এবং Glucagon হরমোন উৎপন্ন হয় অগ্নাশয়ের Islets of Langerhans এর Alfa cells থেকে।

এই Insulin হরমোন আমাদের রক্তের অতিরিক্ত গ্লুকোজকে আমাদের যকৃত এবং পেশির কোষে Glycogen রূপে সঞ্চিত করে রাখে ভবিষ্যতের জন্য এবং যে পদ্ধতিতে Insulin রক্তের অতিরিক্ত গ্লুকোজকে Glycogen এ পরিবর্তীত করে সেই পদ্ধতিটির নাম হল Glycogenesis অর্থাৎ Glycogen উৎপাদনি প্রক্রিয়া কিন্তু গ্লুকাগন হরমোন Insulin হরমোনের ঠিক বিপরীত কাজ করে অর্থাৎ এই হরমোনটি যকৃত ও পেশির কোষে সঞ্চিত Glycogen কে Glucose এ পরিবর্তীত করে রক্তে মিশিয়ে দেয় যার ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। Glucagon হরমোন যে প্রক্রিয়ায় যকৃত ও পেশির কোষে সঞ্চিত Glycogen কে গ্লুকোজে পরিবর্তীত করে রক্তে মিশিয়ে দিয়ে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি করে সেই প্রক্রিয়াকে বলা হয় Glycogenolysis অর্থাৎ Glycogen ভাঙনের প্রক্রিয়া। Diabetes Mellitus রোগে অগ্নাশয়ের Islets of Langerhans এর Beta Cells এ Insulin এর উৎপাদন এবং Beta cells থেকে Insulin এর নিঃসরণ কমে যায় বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় যার ফলে রক্তের অতিরিক্ত গ্লুকোজ আর গ্লাইকোজেনে পরিনত হতে পারেনা এবং ঠিক একই সময় Glucagon হরমোনের ক্রিয়াও বৃদ্ধি পায় যার ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় এবং Hyperglycemia এর সৃষ্টি হয়।

আমাদের ভারতবর্ষ তথা গোটা বিশ্বে Diabetes Mellitus এ আক্রান্ত ব্যাক্তিদের সংখ্যা বেড়েই চলছে বেশ কিছু বছর ধরে কারন আমাদের সবারই জীবন ও জীবিকার ধরন বদলে গেছে। এখন আমরা সবাই একটা ব্যস্ত সময় এর মধ্যে চলছি। আমাদের বেশিরভাগ লোকদেরই নিয়মমাফিক খাওয়াদাওয়া, শরীরচর্চা করার সময় পর্যন্ত থাকেনা। যে যখন পারছে তখন যা কিছু Junk Foods খেয়ে নিচ্ছে , ঠিকসময়মতো ঘুমাতে যাচ্ছেনা, রাত জেগে কাজ করছে, অনেক দেরিতে ঘুম থেকে উঠছে, শরীরচর্চা করেনা এবং সর্বদাই একটা Stress এর মধ্যে জীবন অতিবাহিত করছে এছাড়াও বর্তমানে এই করোনা মহামারীর সময় হওয়া Lock Down এর ফলে অনেকেই তাদের জীবিকা হারিয়ে একটি মানসিক অবসাদে আক্রান্ত হয়ে জীবন কাটাচ্ছে, আবার অনেকে Work From Home করছে যার ফলে তাদের শারীরিক পরিশ্রম কিছুই হচ্ছেনা আর এই গৃহবন্দী অবস্থায় অনেকেই ঘরে নানারকমের unhealthy খাবার গ্ৰহন করছে যেমন পিৎসা, গ্ৰিলড চিকেন, বিরিয়ানী, কাবাব প্রভৃতি। এই রকমের অধিক ফ্যাট যুক্ত খাদ্য গ্ৰহন করার ফলে মেদাধ্যিকের প্রবনতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সমস্ত অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের ফলে আমাদের ভারত তথা গোটা বিশ্বে Diabetes এ আক্রান্ত ব্যাক্তিদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। WHO [World Health Organization]-2014 অনুসারে 8.5% প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যাক্তিরা Diabetes এ আক্রান্ত কিন্তু যেটি WHO এর 1980 সালের রিপোর্ট অনুসারে ছিল 4.7%। আবার 2015 সালে International Diabetes Federation (IDF) তাদের রিপোর্টে বলেছিল 410 million প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যাক্তিরা Diabetes এ আক্রান্ত এবং যেটি 2040 সালে 642 million বেড়ে যাবে।

Diabetes Mellitus মুলত দুই প্রকার। সেগুলি হল Insulin Dependent Diabetes Mellitus বা Type-1-Diabetes Mellitus [IDDM] এবং Non-Insulin Dependent Diabetes Mellitus বা Type-2-Diabetes Mellitus [NIDDM]। এছাড়াও Gestational Diabetes Mellitus দেখা যায় অনেক গর্ভবতী বা Pragnent মহিলাদের মধ্যে। Type-1-Diabetes কে বলা হয় Juvenile Onset Diabetes অর্থাৎ এই রোগে শিশু, বালক, বালিকা এবং কিশোর কিশোরীরা বেশি আক্রান্ত হয়। এই রোগটি একটি T-Cell Dependent Autoimmune Disease এবং এতে অগ্নাশয় বা Pancreas এর Islets of Langerhans এর Beta cell সমুহ নষ্ট হয়ে যায় বিভিন্ন কারনে যেমন CD4 TH1 mediated CD8 T-Cells, বিভিন্ন Anti-Beta cells Antibodies এবং Macrophagic ক্রিয়াকলাপের ফলে। এছাড়াও যদি অগ্নাশয়ের Beta cell সমুহে যদি ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে তাহলে ওই Beta cells গুলো নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলশ্রুতিতে Beta cells সমুহ ইনসুলিন হরমোন উৎপাদন করতে পারেনা যার ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং ব্যাক্তিটি Diabetes এ আক্রান্ত হয়ে পড়ে। এই রোগের লক্ষণ গুলো হল- অতিরিক্ত জল তৃষ্ণা, ঘনঘন মূত্রত্যাগ, পরিশ্রান্ত হয়ে পড়া প্রভৃতি। Type-2-Diabetes কে বলা হয় Adult Onset Diabetes এবং এই রোগে ইনসুলিন অগ্নাশয়ের Beta cells এ উৎপন্ন হয় ঠিকই কিন্তু সেই উৎপন্ন ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা খুবই কম হয়। এই প্রকারের Diabetes সেই সব ব্যাক্তিদেরই হয় যারা মেদাধ্যিকে আক্রান্ত।

Diabetes Mellitus প্রতিরোধে আদা

Ginger বা আদা হল আমাদের ভারতের একটি অতি পরিচিত মশলা বা Herbs। আমাদের দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ গুলোতে বিশেষ করে ভারতে এই আদা বা Ginger এর চাষ হয়ে থাকে। ভারত ছাড়াও চিন, জাপান, কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া, মালয়েশিয়ায় এই Ginger বা আদার চাষ হয়ে থাকে।

আমাদের এই অতিপরিচিত আদার বিজ্ঞানসম্মত নাম হল Zingiber officinale এবং এটি Zingiberacae family এর অন্তর্ভুক্ত একটি rhizome plant অর্থাৎ আদার মূল বা Root টি আমরা মুলত খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে থাকি।

ভারতের বিভিন্ন খাদ্যে Ginger বা আদাকে যুক্ত করা হয়ে থাকে মুলত খাদ্যের স্বাদ বৃদ্ধির জন্য। কিন্তু এই আদা বা Ginger কী শুধু রান্নায় ব্যবহার করা হয়? আর কোনো গুরুত্ব নেই এই Ginger বা আদার?? এই প্রশ্নটি আমাদের সবার মনেই আসে। কিন্তু অনেক গবেষণা এবং পরীক্ষা নিরিক্ষার পর আমাদেরIndian Ayurvedic System Ginger কে একটি Medicinal Spice আক্ষা দিয়েছে। কিন্তু কেন?? তাদের মতে Ginger বা আদায় কিছু Bio-active components উপস্থিত থাকে যারা আমাদের শরীরকে বিভিন্ন রোগব্যাধির হাত থেকে রক্ষা করে এবং আমাদের সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

আদা বা Ginger এ উপস্থিত এইসব Bio-active components গুলো হল-

  • Gingerol
  • Shogaol
  • Gingerone
  • 6-Paradol
  • 1-dehydrogingerdinone
  • 6-gingerdione
  • Gingerdiol

এইসব Bio-active components গুলোর উপস্থিতি এবং আমাদের শরীরের উপর এদের beneficial effects এর জন্য আমাদের Indian Ayurvedic System এই আদাকে একটি Medicinal Herb আক্ষা দিয়েছ। আদায় উপস্থিত উপরিউক্ত Bio-active components গুলো কিছু Medicinal properties কে ধারণ করে। যেগুলি হল-

  • Antioxidant
  • Anti-Inflammatory
  • Anti-Arthritic
  • Anti-Diabetic
  • Anti-Carcinogenic
  • Anti-Microbial
  • Anti-emetic
  • Immune-modulatory property

তাহলে আমরা দেখলাম আদা বা Ginger এর মধ্যে কী কী Bio-active components থাকে এবং তারা কী কী Medical properties কে ধারন করে। এবার আমরা দেখব এই আদায় উপস্থিত এইসব Bio-active components গুলো কীভাবে Diabetes Mellitus কে প্রতিরোধ করে।

আদার Anti-Diabetic Effect 

  1. ইঁদুরের উপর গবেষণায় দেখা গেছে আদার মধ্যে উপস্থিত বিভিন্ন Bio-active polyphenolic components সমুহ Carbohydrates এবং Lipid এর বিভিন্ন বিপাকীয় প্রক্রিয়া সমুহকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করে এবং এর পাশাপাশি শরীরে Insulin এর sensitivity এবং ক্রিয়ার হার বৃদ্ধি করে।
  2. এছাড়াও আদায় উপস্থিত Bio active components সমুহ আমাদের শরীরের অভ‍্যন্তরে উপস্থিত বিভিন্ন Transcription factor সমুহের ক্রিয়াকে অবদমিত করে, Lipid Peroxidation কে অবদমিত করে এবং বিভিন্ন Antioxidant enzyme system কে সক্রিয় করে তোলে। এছাড়াও Carbohydrate এর বিপাকের সাথে যুক্ত বিভিন্ন রকমের উৎসেচকের ক্রিয়ার হার বৃদ্ধি করে।
  3. এছাড়াও আদার মধ্যে উপস্থিত বিভিন্ন Phenolic এবং Polyphenolic components সমুহ যেমন- Flavonoids আমাদের Intestinal Glucosidase এবং Amylase উৎসেচকের ক্রিয়াকে অবদমিত করে।
  4. আদায় উপস্থিত Bio active Paradol এবং Zingerone,আমাদের শরীরের কোষসমুহের মধ্যে Lipid peroxidation কে অবদমিত করে।
  5. এছাড়াও এই Paradol এবং Zingerone, আমাদের শরীরে Insulin resistance এর হার কমিয়ে দেয় এবং শরীরের কোষসমুহের মধ্যে Glucose transport এর হারকে বৃদ্ধি করে GLUT-4 transporter, এবং Insulin receptors এর ক্রিয়াকৌশলকে বৃদ্ধির মধ্যে দিয়ে। 
  6. এছাড়াও এই paradol এবং zingerone, আমাদের অগ্নাশয়ের Beta cells এর ক্রিয়া বৃদ্ধি করে এবং ইনসুলিনের নিঃসরণ বৃদ্ধি করে।
  7. এছাড়াও আদার মধ্যে উপস্থিত 6-gingerol এবং 6-shogaol আমাদের শরীরে Insulin sensitivity বৃদ্ধি করে Adiponectin এবং PPARγ এর মাত্রা বৃদ্ধি করার মধ্যে দিয়ে।
  8. এভাবেই আদার মধ্যে উপস্থিত বিভিন্ন Bio active components Diabetes Mellitus কে প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

এভাবে যদি আমরা Diabetes Mellitus এ আক্রান্ত ব্যাক্তির দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় আদা বা Ginger কে রাখি তাহলে তাদের এই Diabetes এর সমস্যা কিছুটা হলেও দুর হবে। আমরা আক্রান্ত ব্যাক্তিকে কাঁচা অবস্থায় গরম জলের সাথে আদার কুচি দিতে পারি আবার আমরা চায়ের মধ্যে আদার কুচি মিশিয়ে Ginger Tea বানিয়ে আক্রান্ত ব্যাক্তিকে দিতে পারি। এছাড়াও এখন বাজারে Ginger বা আদার অনেক commercial supplements চলে এসেছে তাই আপনারা যারা এই Diabetes এ আক্রান্ত হয়ে আছেন তাঁরা অবশ্যই এই supplements গুলো ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু supplements ব্যবহার করার আগে আপনারা অবশ্যই আপনাদের চিকিৎসক বা পথ্যবিশারদদের সাথে আলোচনা করে নেবেন কারন আমরা অনেক সময়ই কতটা supplements ব্যবহার করতে হবে তা বুঝতে পারিনা যার ফলে আমাদের পরিমানের গন্ডগোল হয়ে যায় যার ফলশ্রুতিতে আমাদের অনেকেরই মধ্যে allergy বা side effects দেখা যায়। তাই supplements ব্যবহার করার আগে চিকিৎসক বা পথ্যবিশারদদের সাথে আলোচনা করে নেওয়াটা আবশ্যক কেননা তাঁরাই বলতে পারবেন কতটা supplements ব্যবহার করলে আপনারা সুস্থ থাকবেন এবং কতটা বেশি ব্যবহার করলে তার side effects আপনাদের মধ্যে দেখা দেবে। আপনারা যদি তাদের guidelines মেনে চলেন তাহলেই আপনারা সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকতে পারবেন।

তথ্যসুত্র

  • https://www.google.co.in/url?sa=t&source=web&rct=j&url=https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC4277626/&ved=2ahUKEwjw-sH1h-30AhVjxzgGHY6RDucQFnoECAQQAQ&usg=AOvVaw0ECKULSFtKhCNp6uZPC5pR
  • https://www.google.co.in/url?sa=t&source=web&rct=j&url=https://www.intechopen.com/chapters/69184&ved=2ahUKEwjw-sH1h-30AhVjxzgGHY6RDucQFnoECEkQAQ&usg=AOvVaw3djUqGk9TuveprxvihE-jp
  • https://www.google.co.in/url?sa=t&source=web&rct=j&url=https://journals.indexcopernicus.com/api/file/viewByFileId/683393.pdf&ved=2ahUKEwiUwdKqiO30AhXexzgGHTsZDHM4ChAWegQIBRAB&usg=AOvVaw2yon32Lu8N7-vtpgn3anYN
  • https://www.google.co.in/url?sa=t&source=web&rct=j&url=https://www.journaljpri.com/index.php/JPRI/article/view/31584&ved=2ahUKEwjcmLW5iO30AhWRyzgGHRw_D744FBAWegQICRAB&usg=AOvVaw0MsfvPo37C6lrsnKtZ7HF6
  • https://www.google.co.in/url?sa=t&source=web&rct=j&url=https://www.imedpub.com/articles/effect-of-ginger-zingiber-officinalesupplementation-on-diabetes-an-update.php%3Faid%3D23989&ved=2ahUKEwjcmLW5iO30AhWRyzgGHRw_D744FBAWegQIBRAB&usg=AOvVaw1HR0KKMqQ3iOx2ZWkF6Iv_
  • https://www.google.co.in/url?sa=t&source=web&rct=j&url=https://pubs.rsc.org/en/content/articlelanding/2013/fo/c3fo30337c&ved=2ahUKEwjpuNHkiO30AhWgyzgGHXK4Bos4MhAWegQIBBAB&usg=AOvVaw0o7TYxz_5QAC_w2BoluULD
  • https://www.google.co.in/url?sa=t&source=web&rct=j&url=https://www.researchgate.net/publication/335305898_Complementary_and_Alternative_Medicine_A_Review_on_the_Effects_of_Ginger_Cinnamon_and_Camellia_Sinensis_Leaf_Tea_in_Diabetes&ved=2ahUKEwjZ54GYie30AhWuwzgGHbYtBxgQFnoECAMQAQ&usg=AOvVaw1rLlh5oqe2jz0PxGbJuXAx
  • নামশুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়
  • ঠিকানা:- হালিশহর নিউ পূর্বাচল,
  • পোস্ট:- নবনগর  
  • জেলা:- উত্তর ২৪ পরগনা 
  • পিন কোড:- ৭৪৩১৩৬ 
  • জন্মসাল:- জানুয়ারি ২০০১
  • বয়স:- ২১ বছর
  • ফোন নং:- 9007491843
  • ইমেল আইডি:[email protected]

আমার নাম শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়। আমি উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার হালিশহর নিবাসী। আমার জন্ম ২০০১ সালে ২৫ শে জানুয়ারি। ছোটো থেকেই আমার বিজ্ঞান বিষয়ে পড়া ও লেখার প্রতি ছিল গভীর ভালোবাসা। হালিশহর রামপ্রসাদ বিদ্যাপীঠে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান শাখায় পড়াশোনা করেছিলাম। আমার প্রিয় বিষয় হল পুষ্টিবিজ্ঞান। তাই পরবর্তীতে কাঁচরাপাড়া কলেজ থেকে পুষ্টিবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক উত্তীর্ণ হয়ে বর্তমানে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে উক্ত বিষয়ে স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তি হয়েছি। পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও অনলাইন ম্যাগাজ়িনে নিয়মিত লেখালেখি করার কাজে নিযুক্ত হয়েছি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন গল্পের বই পড়ি, বিভিন্ন Audio books শুনি এছাড়াও বিভিন্ন school এর বিভিন্ন শ্রেণীর ছাত্রদের Biology পড়াতে ভালোবাসি।

Spread the Kabyapot
One thought on “Diabetes Mellitus প্রতিরোধে আদার ভূমিকা – প্রতিবেদন লিখেছেন – শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়”
  1. ডায়াবেটিস রোগীদের পক্ষে খুবই সাহায্য পূর্ণ বিষয়, এরকমই বিষয়ে আরও জানতে চাই ??? ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আপনার প্রদেয় বিজ্ঞাপনের অর্থে মুদ্রিত কাব্যপট পত্রিকা প্রকাশে সাহায্য করুন [email protected]