• Thu. Jul 7th, 2022

চরমোহাম্মদপুরের গেছো ভূত – মিলন পুরকাইত

ByKabyapot

Jan 12, 2022

চরমোহাম্মদপুরের গেছো ভূত
মিলন পুরকাইত

চরমোহাম্মদপুর, নামান্তরে বিরাহিমপুর, আমাদের পৈতৃক বাড়ি। সিলেট শহর থেকে পাঁচ মাইল দূরে, কিন্তু আমি যে সময়ের কথা বলছি তখন এ জায়গাটি ছিল অজ পাড়া গাঁ। শহর থেকে বাসে এসে এক মাইল হেঁটে বাড়ি যেতে হত। কোন গাড়ির রাস্তা কেন রিকশা যাওয়ার কোন পথ ছিলনা। তার উপর বর্ষা কালে যেতে পথ প্রায়ই কাঁদা মাড়িয়ে যেতে হত, মাঝে মাঝে ডোবা পেরিয়ে। এহেন জায়গায় ছোটবেলা আমরা যেতাম বাৎসরিক স্কুল ছুটির সময় নানা বাড়ি আর আমাদের পৈতৃক বাড়িতে ছুটি কাটাতে। নানাবাড়িতে নানী আর খালারা থাকতেন, কিন্তু চরমোহাম্মদপুর বাড়িতে দাদা দাদি কেউ ছিলেননা, তারা অনেক আগেই গত হয়েছিলেন। সে বাড়িতে থাকতেন আমার চাচারা আর এক ফুপু। এ ছাড়া এই বাড়ির সীমানায় থাকতেন অন্যান্য শরিকেরা তাদের নিজস্ব ঘরে।


বাড়ির পরিমন্ডলে ছিল অনেক বড় বড় গাছ আর তিনটি পুকুর। বাড়ির পেছনে ছিল উঁচু উঁচু হিজল,শিমুল, সুপারি আর বিভিন্ন ফলের গাছ। ফলের মধ্যে প্রধান ছিল কাঁঠাল, আম , পেয়ারা, আর গাব গাছ। গরমে ছুটিতে গেলে এ সমস্ত ফল খাওয়া ছিল গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার এক বিরাট আকর্ষণ। এ গাছগুলো সম্পর্কে বলা খুব প্রয়োজন কারন এ গল্পের সঙ্গে গাছগুলো জড়িত।

আমাদের গ্রামের বাড়িতে একটি ব্যাপার আমার খুব অপছন্দ ছিল, আর খুব ভয়ের কারন। তা ছিল দৈনিক শৌচক্রিয়া। বাড়ির শৌচালয় ছিল বাড়ি থেকে দূরে বড় বড় গাছ পরিবেষ্টিত একটি ডোবার ধারে। মেয়েদের জন্য আরেকটি শৌচালয় ছিল ঘরের কাছে , কিন্তু ছেলেদের যেতে হত দুরেরটিতে। সে ছিল এক ভীতিকর অবস্থা কারণ সে জায়গাটি দিনের বেলাতেও অন্ধকার থাকত। খুব ছোট বেলা আমাদের সাথে আমরা বড় কোন ঘরের কাজের লোক নিয়ে যেতাম। কিন্তু একটু বড় হওয়ার পর কেউ যেতে রাজি হত না, একা একাই যেতে হত। বাড়ির লোকেদের বিশ্বাষ গাছ গুলোতে জিনের আস্তানা।কতটা কাল্পনিক জানিনা তবে তবে আমার সব সময় মনে হত সে স্থানে জিন ভূত আসে পাশে লুকিয়ে আছে আর সুযোগ পেলে আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে। যাই হোক কোন মতে আমি দিনের বেলা আমার কাজ সারাতাম। রাতের ছোট কাজ ঘরের পাশে কোন গাছের নিচে সেরে ফেলতাম। চরমোহাম্মেদপুরের বাড়িতে অনেক গৃহ কর্মচারী ছিল কারন বাড়িতে অনেক লোক আর গৃহ পালিত পশু ছিল। বাড়িতে কাজ যত ছিল তার চেয়ে বেশি ছিল কাজের লোক। এদের কেউ কেউ আশ্রয় নিয়ে বাড়িতে থাকতো কারন তাদের নিজেদের ভরন পোষনের কোন সঙ্গতি ছিলনা, বিশেষ কিছু মহিলারা। এদের মধ্যে একজন ছিল জয়তুন বিবি বলে এক বিধবা, যাকে বড় চাচা আশ্রয় দিয়েছিলেন তার অকালে স্বামী মারা যাওয়ার পর। তার কোন সন্তান ছিল না। আমরা তাকে জয়তুন ঝি বলে ডাকতাম। জয়তুন ঝির বাড়িতে স্থান ছিল গৃহ ভৃত্য আর পালিত মেয়ের মাঝা মাঝি। তার উপর কোন পর্বিত দায় দায়িত্ত্ব না থাকলেও সে আমার চাচীকে রান্না বান্নায় সাহায্য করত , আর অনেক সময় সম্পূর্ণ রান্নার কাজ সেই করতে। তার রান্না বান্নার কাজ বেড়ে যেত যখন আমরা বাড়িতে যেতাম। তার রান্নার হাত ছিল অপূর্ব। সে কি রুই মাছের ঝোল, কৈ মাছের আনারস দিয়ে ভুনা, হাতকরা আর মাংস, বাঁশ আর হাঁস, আর নানা রকম বরফি আর হালুয়া। তার হালুয়ার মধ্যে আমার সব চাইতে প্রিয় ছিল তোষা হালুয়া , যার সিলেটি নাম হচ্ছে তোষা শিন্নি। তোষা শিন্নির উপকরণ খুব সাধারন, ময়দা, চিনি, আর ঘী। কিন্তু এই তোষা শিন্নি ব্যক্তি বিশেষে সাধারণ থেকে অসাধারন হয় রাঁধুনির কারনে। সিলেট অঞ্চলে এ হালুয়া খুব প্রচলিত। প্রচলিত আছে যে এ শিন্নি শাহ জালালের অনুসারীরা সিলেটে আনয়ন করেন। শিন্নি টি আজ ও বহুল ভাবে শাহ জালালের মাজারে বিক্রি হয়। যা হোক গল্পটি শিন্নি নিয়ে নয় শুধু।


কিন্তু আমার জয়তুন ঝির বানান তোষা শিরনি বেশিদিন খাওয়া হলনা। এক ছুটিতে বাড়ি গিয়ে শুনলাম জয়তুন ঝি মস্তিস্ক বিকৃতি হয়ে আপন মনে এখানে সেখানে ঘুরে বেড়ায় আর বিড়বিড় করে কথা বলতে থাকে। দিনে কয়েকবার পিছনের বনে গিয়ে একটি গাব গাছের নিচে দাঁড়িয়ে উপরে কার সাথে কথা বলে। খাওয়া দাওয়া সে গাছের নিচে করে বাড়ির কেউ দিলে , কিন্তু কারো সাথে কথা বলেনা। এটা শুনে আমি খুব দুঃখ পেলাম। আমি তবু বাড়ির লোকজনকে জিজ্ঞেষ করলাম কোথায় জয়তুন ঝিকে পাব। তারা বলল পিছের পুকুরের রাস্তায় হয়ত তাকে দেখতে পাব। আমি সাথে সাথে গেলাম। সত্যিই দেখলাম জয়তুন ঝি বসে আছে গাব গাছের নিচে। আমি তাকে নাম ধরে ডাকলাম কিন্তু সে শুধু আমার দিকে তাকিয়ে ই থাকল কিছু বললনা। কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে থেকে আমি ফিরে আসলাম বাড়ির ভিতর এক দীর্ঘ শ্বাস ফেলে।


বাড়ির লোকজন বলল মাস কয়েক আগে রাতে জয়তুন ঝি পুকুর থেকে পানি নেয়ার জন্য গিয়েছিল। অনেকক্ষণ পরে সে যখন বাড়ি ফিরে না, তখন চাচী বাড়ির অন্য এক চাকর কে তার খোঁজ নিতে পাঠালে সে দেখতে পায় জয়তুন গাব গাছের নিচে পড়ে আছে অজ্ঞান হয়ে। তার মুখ থেকে ফেনা বেরুচ্ছিল। দুজন মানুষ তাকে তুলে আনে। ঘরে ফেরার পর তাকে পানি ঢেলে জ্ঞান ফেরায়। কিন্তু জ্ঞান ফিরলেও জয়তুন কোন কথা পরিষ্কার বলতে পারেনা , শুধু বাইরে আঙ্গুল দেখায় আর চিৎকার করতে থাকে। এর পর কয়েকদিন সে জ্বরে ভুগে। জ্বর ছাড়লেও জয়তুন আর সুস্থ হয়না। সারা দিন বাইরে থাকে আর নিজে নিজে বিড়বিড় করতে থাকে। লোকজনের ধারণা জয়তুন ঝির উপর ভূত ভর করেছে, কারন গাঁয়ের লোকরা বলে থাকে গাব গাছে নাকি গেছো ভূত থাকে।
আমার বাবা এ গল্প শুনে বললেন, ননসেন্স। জয়তুনকে সিলেট নিয়ে কোন মনস্তত্ত বিদ দেখান দরকার। কিন্তু চাচী রাজি হলেননা এই বলে যে তিনি শুনেছেন ভূতে জীনে ধরা লোককে ডাক্তার দেখালে সেই লোকের আরো ক্ষতি হয়। ভূত জীনরা ক্ষুব্ধ হয়ে বাড়ির অন্যলোকের ও ক্ষতি করতে পারে। এ অন্ধবিশ্বাসের সাথে বাবা আর কোন তর্ক না জুড়ে হাল ছেড়ে দিলেন।
পরে শুনেছি বাড়ির লোক ওঝা এনে জয়তুন ঝিকে ঝাড়ফুঁক করেছিল, কিন্তু কোন লাভ হয়নি। মাস কয়েক পর শুনলাম জয়তুন ঝি সেই গাব গাছের ডালে রশি দিয়ে নিজেকে ফাঁসি দিয়ে মরেছে। জয়তুন ঝি মারা যাওয়ার পর কয়েক বছর আমার আর চরমোহাম্মদপুর যাওয়া হয়নি। এর পর আমি গেলাম আমার মেট্রিক পরীক্ষার পর চাচা চাচীর আগ্রহে। আমি একাই যাই, বাবা বললেন পরীক্ষার ফল বেরুতে সময় আছে , কলেজ যাওয়ার আগে এটাই ভাল সময়। বোধকরি সেটা ছিল ফেব্রুয়ারির শেষ বা মার্চের প্রথম। সিলেট বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল সে সময় কিছু কিছু ঠান্ডা বিশেষ করে সকাল বেলায়। বাড়ি গিয়ে দেখলাম নতুন এক রান্নার মহিলা , আর বাকি কাজের লোকেরা সবাই পুরাতন। নুতন রাঁধুনি মরিয়মদেখলাম সব রান্না বান্না সবই করে, চাচী শুধু তদারক করেন। চাচী রান্নার মহিলাকে আমার সব পছন্দের খাওয়া দাওয়া রান্না করতে বলেন। কিন্তু আমি যা চাইছিলাম মনে মনে অর্থাৎ তোষা শিরনি সেটা রাতের বেলা দেখলামনা। ভাবলাম এই রান্না জয়তুন ঝি ছাড়া আর কে করবে?


পরদিন একটু ভোরে উঠে পিছনে পুকুরের দিকে গেলাম হাটতে। সকাল বেলা বেশ কুয়াশা ছিল, তবু একটু ঠান্ডা ভালই লাগছিল। যখন ঘরে ফিরে আসছি, একটু দূরে একটি বড় শিমুল গাছের নিচে দেখি সাদা শাড়ি পরা এক মহিলা দাঁড়িয়ে আছে। চিনতে না পেরে সামনে এগুলে দেখি, অবিকল জয়তুন ঝির মত দেখতে এক মহিলা চুপ চাপ আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমার বিস্ময়ের সীমা রইলনা। তোতলা গলায় জিজ্ঞেস করলাম, তুমি জয়তুন ঝি না? উত্তরে সে মহিলা কিছু না বলে হটাৎ ঝোঁপের দিকে মিলিয়ে গেল। আমি বুঝতে পারলাম না আমি সত্যি জয়তুন কে দেখেছি না অন্য কেউ।
বাড়ি ফিরে এসে কাউকে কিছু না বলে আমি হাত মুখ ধুয়ে রান্না ঘরে গেলাম পানি খাওয়ার জন্য। সেখানে দেখি পানির জগের পাশে এক বাটি হালুয়া। আমার কিছু খিদে ছিল, তাই হালুয়ার বাটি থেকে চামচ দিয়ে কিছুটা একটি প্লেটে ঢেলে আমি নিলাম। খেয়ে দেখি এটি সেই তোষা শিরনি যার স্বাদ ঠিক জয়তুন ঝির বানানো শিরনির মত। আমি ভাবলাম চাচী নিশ্চয় কাল রাতে আমাকে এটা দিতে ভুলে গিয়েছেন অথবা এটা আজ সকালে নাশতায় দেয়া হবে। যাই হোক আমি একটু চেখে বাকিটা রেখে দিলাম।
সকালে নাস্তার সময় চাচা চাচী আর অন্যান্য চাচাতভাই বোনেরা এক সাথে বসলাম। আমি তাদের কাউকে আমার ভোরের সে লোম কাঁপানো ঘটনার কথা বললামনা পাছে তারা মনে করে আমি বানিয়ে বলছি। নাস্তার প্রচুর আয়োজন। পরটা, ঝুরি গোস্ত, চাকি চাকি করে চৈ পিঠা ভাজি, ভাজা কৈ মাছ,নারিকেলের পুর, মিষ্টি, ফিরনি, অনেক কিছু। কিন্তু আমি অবাক হয়ে দেখলাম সেই তোষা শিরনি যা ভোরে রান্না ঘরে দেখেছি তা নেই। আমি আর থাকতে না পেরে চাচীকে জিজ্ঞেস করলাম, চাচী, তোষা শিরনি কই ? চাচী অবাক হয়ে আমাকে পাল্টা প্রশ্ন করলেন, তোষা শিরনি আসবে কোত্থেকে? মরিয়ম তো তোষা শিরনি করতে জানেনা। আমি তখন বললাম, আমি যে সকালে রান্না ঘরে দেখলাম এক বাটি তোষা শিরনি। আমিতো কিছুটা খেয়েছিও। এবার চাচী আর চাচা দু জনেই হতবাক। চাচী সাথে সাথে উঠে গিয়ে রান্না ঘরে গেলেন। সেখান থেকে আমাকে ডাক দিয়ে কোথায় শিরনির বাটি দেখেছি তা দেখাতে বললেন। আমি রান্না ঘরে ঢুকে যে তাকে পানির জগ থাকে সেদিকে আঙ্গুল দেখালাম। কিন্তু কোথায় সেই শিরনির বাটি? কিছুই তো নেই? আমি বললাম চাচী, আমি হলফ করে বলছি এই তাকে শিরনির বাটি ছিল। চাচী শুধু মাথা নেড়ে খাবার ঘরের দিকে চলে গেলেন। চাচা আমার দিকে এমন ভাবে তাকালেন যেন মনে হল তিনি আমার মস্তিস্ক বিকৃতি হয়েছে বলে মনে করছেন। আমি মাথা নিচু করে কোন মতে খাওয়া শেষ করলাম।
খাওয়ার শেষে আমার চাচাত ভাই, যিনি আমার চেয়ে কিছু বড়, আমাকে চেপে ধরলেন জানতে আসলে কি হয়েছিল। আমি তখন তাকে একান্তে নিয়ে ভোর বেলার সে অলৌকিক ঘটনা, ঝোপের পাশে জয়তুন ঝিকে দেখা, আর রান্নাঘরে অবিশ্বাস্য তোষা শিরনি খাওয়ার কথা বললেন। আমার ভাই নির্বিকার ভাবে কথা শুনে বললেন , তিনি এতে আশ্চর্য হন নাই কারন তিনি কয়েকজন কাজের লোকের কাছ থেকে শুনেছেন তারা এক সাদা শাড়ি পড়া মেয়ে মানুষকে ঝোপের আড়ালে দেখেছে , কিন্তু সে মূর্তি তাদেরকে কোন বিরক্ত করেনি। ভাই মনে করেন আমি যাকে দেখেছি সেটি সেই প্রেতাত্মা হতে পারে, তবে সে জয়তুন ঝি কিনা বলা মুশকিল। আর যে শিরনি আমি খেয়েছি সেটা হয়ত আমার কল্পনা।
ভাইয়ের কথা আমাকে কিছুটা বিশ্বাস দিলেও , তার আমার শিরনি খাওয়াকে কল্পনা বলা আমি মোটেই নিতে পারছিলামনা। আমি তাকে সাথে নিয়ে বাড়ির পিছনে জঙ্গলের দিকে গেলাম। তাকে দেখাতে সে স্থান যেখানে আমি জয়তুন ঝিকে দেখেছি। বেশি দূর যেতে হলনা। গাব গাছের নিচে পৌঁছাতেই দেখি ঘাসের উপর পড়ে একটি পিতলের বাটি , আর তাতে শিরনি। ভাই, এই তো সেই বাটি যা সকালে আমি রান্নাঘরে দেখেছি। “দেখি, দেখি” বলে ভাই সে বাটিটি হাতে নিলেন। “তাইতো, এত দেখছি তোষা শিরনি, এটা এ এখানে কেন?” তিনি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন। এর উত্তর আমার কাছে ছিলনা।আমি শুধু তাকে জিজ্ঞেশ করলাম , “ভাই, আমরা কি শির্নী খাব?” আমার ভাই মুরাব্বিয়ানা সুরে বললেন, “এটা জীনের তৈরী , বাটি জঙ্গলে ফেলে দাও।” আমি তাই করলাম।


আমি এর পর দিন চরমোহাম্মদপুর থেকে সিলেট হয়ে ঢাকা চলে আসি, এই বলে যে আমার কলেজ নিয়ে চিন্তা ভাবনা করতে হবে। আসলে আমি অনেক ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। আমার বদ্ধ ধারণা সেদিনের প্রেতাত্মা আসলেই জয়তুন ঝি, সে আমাকে দেখা দিয়েছিল। আর সে আমার জন্যে শিরনি করে এনেছিল শুধু আমার খাওয়ার জন্য। আমি যে টুকু খেয়েছি তার পর বাকিটা আর কাউকে খেতে না দিয়ে আবার বাটিটা ফেরত নিয়ে আসে কিন্তু বোধ করি তাড়াহুড়োতে গাছের নিচে ফেলে গিয়েছে। আমি জানতাম আমি যত দিন বাড়িতে থাকব জয়তুন ঝি আমাকে দেখতে আসবে। আমি জেনে শুনে একটি প্রেতাত্মার সামনে আর যেতে পারবনা, তা সে প্রেতাত্মা আমাদের প্রিয় জয়তুন ঝি হোক না কেন।

Spread the Kabyapot

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আপনার প্রদেয় বিজ্ঞাপনের অর্থে মুদ্রিত কাব্যপট পত্রিকা প্রকাশে সাহায্য করুন [email protected]