গঙ্গার বুকে একদিন
– অগ্নিমিত্র
সেদিন আমরা গঙ্গায় ভাসতে গিয়েছিলাম । ফ্লোটেল নামক একটি হোটেলে গিয়েছিলাম। । ফ্লোটেল একটি ভাসমান হোটেল, যেখানে থাকার জায়গা আছে, খাওয়ার জায়গা আছে এবং বোটিং করানো হয়।
এখানে একটি ফ্রি পাশ পেয়েছিলাম। রেডিওতে একটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়ার ফলে তারা আমাকে একটি পাশ দিয়ে ধন্য করেছিলেন।
আমাকে ও আমার গৃহিণীকে বিকেল পাঁচটায় ডাকা হয়েছিল। তাই আমরা বিকেল চারটের আগেই হাজির হয়ে গিয়েছিলাম। যেহেতু পাঁচটার আগে নৌকায় উঠতে দেওয়া হবে না, তাই আমি এবং আমরা এক ঘন্টা উদভ্রান্তের মতো ঘুরে বেড়ালাম। ভাসমান হোটেলটি আসলে তিন তলা। একটি খুব ছোট্ট লিফ্টও আছে যেটা করে ওঠানামা করা যায়। । গুলুও গিয়েছিল আমার সঙ্গে। । গুলু আসলে নৌকায় উঠতে এবং নামতে একটু নার্ভাস হয়ে যায়। হোটেলে একটা রেস্তরাঁ আছে যার বারান্দা থেকে গঙ্গার দৃশ্য খুব সুন্দর দেখা যায়..। তার সাথে এখানে আছে বারোটি ঘর। আপনার টাকা পয়সা বেশি হলে আপনি এখানে থাকতেই পারেন। মন্দ লাগবে না। গঙ্গার বুকে ভেসে দু’ ঘন্টা কোথা দিয়ে কেটে গেল, বোঝা গেল না ..।।
🍁🍁🍁🌸🌸🌸💐💐💐
আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি দাদাভাই
বাংলাদেশের লেখক, গবেষক, অধ্যাপক, কালাচাঁদ মৃত্যুর জীবন ও তাঁর আবিষ্কৃত গন কবিতা তৈরির ধারা মানব সভ্যতাক নতুন পথে এগিয়ে নিয়ে…
আমার রচিত কবিতা প্রকাশ করার জন্য কর্তৃপক্ষকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
"ঝড় এলেও ভাঙবে না", এই বহু অভিজ্ঞতার গদ্যে কবি, লেখক ও ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল মন্ডল খুব টানটান করে নানা অভিজ্ঞতার গল্প…
আমার এই কবিতাটি প্রকাশ করার জন্য মাননীয় সম্পাদক মহাশয়, এবং কাব্যপট পত্রিকার সবাইকে জানাই আমার আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।