কাব্যপট পত্রিকা, ২য় সংখ্যা, ১মবর্ষ, অক্টোবর ২০১৯

Spread the love

     অক্টোবর সংখ্যার সূচিপত্র
   🌱🌱🌱🌱🌱🌱🌱🌱🌱
           “কাব্যপট পত্রিকা”
                (অনলাইন)
****************************
১) কবি তৈমুর খান – তিনটি অণুগল্প
২) কবি চিন্ময় মহান্তী – অনুগল্প
৩) কবি সত্যেন্দ্রনাথ পাইন – বিদ্যাসাগর
৪) কবি খেয়ার মাঝি – চন্দন চক্রবর্তী
৫) কবি অন্তরাক্ষী – তেপান্তর
৬) কবি নিজের প্রতিক – তাপসী ভট্টাচার্য্য
৭) কবি অঞ্জলি দে নন্দী – ওখানে
৮) কবি ফারুক বিন কফিল – প্রবাস মানে
৯) কবি দেবাশিস সরকার – ১০ বাই ১০
১০) কবি রেহানা চৌধুরী – প্রিয় চর নাজিমুদ্দিন
১১) কবি তপন কুমার তপু – দেখা
১২) কবি সত্যদেব পতি – অনাহুত
১৩) কবি দ্বিপ্তেন্দু ভট্টাচার্য্য – কথা
১৪) কবি মনোরঞ্জন আচার্য্য – তুমি সর্বজনীন
১৫) কবি শিপ্রা দে – আমার দূর্গা নারী
১৬) কবি বীরু – ভয়
১৭) কবি মধুমিতা সিংহ – রূপকথা
১৮) কবি সত্যবান তন্তুবায় – পেট খালি তবু ভরা পেট
১৯) কবি অগ্নিমিত্র (ড:সায়ন ভট্টাচার্য্য) – দূর্গাপূজা ১৪২৬
২০) কবি অসীম সরকার – দামিনী
২১) কবি তপনকান্তি মুখার্জি – আলোর ফুলকি
২২) কবি প্রদীপ কুমার সামন্ত – হৃদয়পুর
২৩) কবি ড: রঞ্জিত দাস- লেখনীর বিজয়যাত্রা
২৪) কবি সমরেশ হালদার – তোমার জন্য
২৫) কবি বিষ্ণু ঘোষ – দ্রৌপদী
২৬) কবি নৃপেন্দ্রনাথ মহন্ত – দেবী ও আমরা
২৭) কবি মুস্তারী বেগম – কালবেলা
২৮) কবি কাকলি দাস ঘোষ- হারানো নদী
২৯) কবি পারমিতা ভট্টাচার্য্য – ব্যর্থ হিসেব
৩০) কবি সুতপা দাস – প্রতিফলিত
৩১) কবি প্রশান্ত কুমার ভট্টাচার্য্য – অসুর
৩২) কবি রাজু দাস- “মা”
৩৩) কবি সোমা বৈদ্য – ভুলিনি আজও ভুলিনি
৩৪) কবি নীল ভাস্কর – বিবিধ বিষয়ক কবিতা
৩৫)কবি অভিষেক মিত্র – আনাড়ি বৃষ্টি
৩৬) কবি সাইবানী বর্মন – কালা বনু
৩৭) কবি গৌতম রাজোয়ার – কাঁচ মন
৩৮) কবি হান্নান বিশ্বাস – অবাক পৃথিবী
৩৯) কবি রামপ্রসাদ বর্মন – আক্ষেপ
৪০) কবি শিবব্রত গুহ – শেষ দিন
৪১) কবি নৃপেন্দ্রনাথ মহন্তের দুইটি কবিতা
৪২) কবি ঋকতান – তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা
৪৩) কবি মো: ইজাজ আহমেদ – একদিন ভ্রমণে
৪৪) প্রবন্ধকার তন্ময় সিংহ রায় – ভয়েজার
৪৫) কবি শৌভিক – ছবিঘর
৪৬) কবি অংশু সাহারায় – নিবিড়তা
৪৭) কবি সত্যেন্দ্রনাথ পাইন – অকস্মাৎ
৪৮) কবি নীতা কবি – বিসর্জন
৪৯) কবি শৈবাল চক্রবর্তী – মোবাইল ফোন
৫০) কবি দেবযানী গাঙ্গুলী – ড্রপ সিনে জলছবি
৫১) কবি শ্যামল কুমার রায় – অভিমান
৫২) কবি কাজী মো: রাকিবুল হাসান –
তুমি বলে দাও তারে
৫৩) কবি মধুসূদন মাজী- ঈশ্বর নির্মাণ
৫৪) কবি মনোরঞ্জন আচার্য্য – ছেঁড়া পাতার কবিতা
৫৫) জন্মকবি সাথী মন্ডল – সুবোধ বালিকা
৫৬) কবি অমিত কুমার রায় – ময়ূর মন
৫৭) কবি বিশ্বজিৎ মাইতি – নদী নয়
৫৮) কবি তাপসী ভট্টাচার্য্য – নিজের প্রতিক
৫৯) কবি অজয় ঋষিদাস- ইছামতির তীরে
৬০) কবি তরনী বিশ্বাস – স্বাধীনতা
৬১) কবি কাছেন রাখাইন – নববর্ষের অঙ্গীকার
৬২) কবি রুদ্র প্রসাদ – সর্বংসহা
৬৩) কবি জয়ন্ত দেওঘরিয়া – মোনালিসা
৬৪) কবি শ্যামল মণ্ডল – পণ ভিখিরি
🌱🌱🌱🌱🌱🌱🌱🌱🌱🌱🌱
–সম্পাদক :    শ্যামল মণ্ডল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You missed

পুনরাবৃত্তি ©অঞ্জলি দে নন্দী, মম আমার বয়স তখন অধিক নহে। বিদ্যালয়ের নিম্ন শ্রেণীর ছাত্রী। বঙ্গ ভাষায় পাঠ্যরূপে সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মহাশয়ের কপালকুণ্ডলার কিয়দংশ পাঠ করান হইত। আমি শ্রেণীর খুব মেধাবিনী পঠিয়ত্রী ছিলুম। আমি প্রথম স্থান অধিকার করিয়া প্রত্যেক বৎসর ঊর্ধ্ব শ্রেণীতে গমন করিতুম। ঐ পাঠ্যের এক পত্রে বঙ্কিমচন্দ্র মহাশয় কতৃক লিখিত হইয়াছিল, ” তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন? ” পাঠ্যে ওই অংশটির নাম ছিল, ‘সাগর সঙ্গমে নবকুমার’। যাহা হউক- আমার চিত্তে এই বাক্যটি গভীরভাবে রেখাপাত করিয়াছিল। আমার সহিত উক্ত সময় নবকুমার বাবুর সহিত যেইরূপ ঘটিয়াছিল ঐরূপ কিছু ঘটিলে আমি তাহাকে ঠিক ঐরূপভাবেই গ্রহণ করিতুম। কিন্তু এই সময়ে আমি উহাকে পরিবর্তীত করিয়া লইয়াছি। এইরূপে – তুমি অতিশয় অধম সেইহেতু বলপূর্বক আমাকেও ঠিক তোমারই স্বরূপ অতি অধমে রূপান্তরিত করিতে চাহিতেছ। আমি অতি অধম না হইলে তুমি আমাকে কৌশলে এই ইহলোক হইতে পরলোকে পাঠাইয়া দিবে। সেইহেতু আমি মৃত্যুলোকবাসীনি না হইবার কারণ বসত তোমাকে সন্তুষ্ট করিবার হেতু মিথ্যা অভিনয় করিয়া তোমাকে দৃশ্য করাইয়া চলিতেছি যে আমিও তোমার স্বরূপই অতি অধমে পরিণত হইয়াছি। বাস্তবিকই তোমার প্রচেষ্টা সার্থক হইয়াছে। আমি আর পূর্বের ন্যায় অতি উত্তম নহি। কিন্তু তুমি কদাপি বুঝিতে পার নাই যে আমি প্রাণে বাঁচিয়া থাকিবার নিমিত্ত তোমার সম্মুখে এইরূপ মিথ্যা, নকল অভিনয় করিতেছি। আদৌই আমি অধম হই নাই। পূর্বে যেইরূপ অতি উত্তম ছিলুম অদ্যাপি ঐরূপই বিদ্যমান রহিয়াছি। কেবলমাত্র একটি নকল আবরণ ধারণ করিয়াছি। নতুবা অকালে তোমার হস্তে আমার প্রাণ বিসর্জিতা হইত। তদপেক্ষা ইহা অধিকতর সঠিক পথ বলিয়া আমা কতৃক ইহা বিবেচিতা।