কবিতা: মদনমোহন তর্কালঙ্কার
[ A Bengali Biographical poem, 284 lines, like “Kabita, Madanmohan Tarkalankar” i,e “Poem, Madanmohan Tarkalankar”, a poem on an exclusive talent, was a poet, professor, educationist, donar, social reformer Madanmohan Tarkalankar ( 1817 — 1858 ), friend and colleague of Pandit Iswar Chandra Vidyasagar, born in Nadia, West Bengal, India, as a reserch work written by Ridendick Mitro, India, professionally a poet, novelist, lyricist, columnist in Bengali, English, Spanish, a scientist, social reformer and world peace worker. This poem exposed into a process of writing by which all types of readers can understand this great man’s everything. If any information found wrong must be changed by the poet himself, if the claim proved true perfectly.]
ঋদেনদিক মিত্রো

সমাজে, জগতে কত মানুষ বাহার,
মত্ত নানা স্থুলভোগে, বিচিত্র আহার,
মুখে উচ্চারণ করা অতিশয় ঘৃণা,
সেইসব বিলাসে তারা মেতে রয় কিনা।
এর মাঝে কেউকেউ আসেন একেলা,
প্রথমে সইতে হয় ঘৃণা, অবহেলা,
তারপর তাঁহারাই হয়েন পুজিত,
তেমনি এক মহাজন দুর্লভ বিদিত,
আঠেরোশো সতেরো, ৩রা জানুয়ারী,
নদীয়ার বিল্লগ্রামে জন্ম হয় তাঁরই।
মদনমোহন চট্টোপাধ্যায় নাম,
তর্কালঙ্কার পদবীতে তিনি যশ পান।
নাম হয় মদনমোহন তর্কালঙ্কার,
সে এক ইতিহাস ছিল অখন্ড বাংলার।।
তখন ওই সত্তর-আশি বৎসর
নবার সিরাজ থেকে বেরিয়ে প্রখর
ইংরাজে এইদেশ শাসিত বটে,
নবাব সিরাজ তবু কিছু মুখে-মুখে
গল্পেতে চর্চিত হতেন কখন,
মীরমদন, মোহনলাল, আর কতজন,
সেসব বীরের গল্প, হতো পঠিত,
ইংরাজ দ্বারা হউক যতই শাসিত।
নইলে কি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট কবি
নবীনচন্দ্র সেন আঁকিতেন ছবি
কবিতার অক্ষরে মহাকাব্য সেই —
বিখ্যাত “পলাসির যুদ্ধ” নামেই।
আঠেরোশো সাতচল্লিশ, চট্টোগ্রামে
১০ই ফেব্রুয়ারী জন্ম, তিনি রাউজানে,
আঠেরোশো আটষট্টিতে বি-এ পাস করে,
কিছুদিন হেয়ার স্কুলে শিক্ষকতা ধরে —
তারপরে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হন,
তাহলে “পলাসির যুদ্ধ” প্রকাশ তখন।
আঠেরোশো পঁচাত্তরে প্রকাশ এ-গ্রন্থ,
সেই যুগে মুখে-মুখে ছিল প্রানবন্ত।
যদিওবা আঠেরোশো আটান্ন সালে,
কলেরায় তর্কালঙ্কার মৃত অকালে,
কিন্তু সিরাজ নিয়ে নানা অনুভবে —
ভাবিত হতেন ঠিকই কল্পনা-স্তবে।।
পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের
বন্ধু ও সহযোগী রূপে সম্মানের
সম মর্যাদায় তিনি ছিলেন ব্যাপিত,
মাত্র একচল্লিশে হন কলেরায় মৃত,
সেই তাজা তরুনের ঋষিকল্প জ্ঞান,
মানুষেতে দিয়েছিল অন্য এক ধ্যান —
জ্ঞান চর্চার পথে করে পরিনত,
সে এক বাংলা বটে, গুরুতে অনুগত।
আজ বলি, কিছু গল্প ইতিহাস তাঁর,
নাম হল মদনমোহন তর্কালঙ্কার।।
কলকাতা সংস্কৃত কলেজে শিক্ষালাভ,
তাঁর মনোমুগ্ধকর মহৎ স্বভাব
করে তোলে বিদ্যাসাগরের আপন,
বন্ধু ও সহকর্মী রূপে দুইজন
ছিলেন অতীব নিকট আর বিশ্বাসী,
সেইসব দিনগুলা কোথা ফেলে আসি,
চলো তো খুঁজিয়া আনি সেই কলকাতা,
মধ্য বৃটিশ যুগে, কিছু ইট পাতা —
পথঘাট, সেই সাথে জলাভূমি, মাঠ,
কিছুকিছু পাকাবাড়ি, সাধারণ মাপ।
কোথাওবা জমিদারসম যে প্রসাদ,
সিংহ দালান দুয়ার, রাজ-রাজ ভাব,
আর সব ঘরবাড়ি অতীব গ্রামীন,
সেইসব অনুভূতি আহা কী সৌখিন,
তার মাঝে যাঁর কথা কই কিছু সার,
তিনি হন মদনমোহন তর্কালঙ্কার।।
দীর্ঘ ইতিহাস আসেনা তো কবিতায়,
তাই কবিতা, ইতিহাস পৃথক স্থান পায়।
কবিতা দেয় অনুভূতির দিগন্ত দূর,
ইতিহাস দেয় তথ্য সমুদ্র প্রচুর,
সেই সাথে দেখিয়ে দেয় কবিতার পথ,
কবিতা হয় ঘোড়া, ইতিহাস হয় রথ।
তাই সংক্ষেপে কই সে-জ্ঞানীর উৎসার,
তিনি হন মদনমোহন তর্কালঙ্কার।।
বিল্লগ্রামকে খুঁজে কে কোথা যায়,
তা বেথুয়াডহরী, নাকাশিপাড়ায়।
বাবা রামধন আর মা বিশ্বেশ্বরী,
তাঁদের সততাময় জীবনকে স্মরি।
তাঁর নামে “আসাননগর মদনমোহন
তর্কালঙ্কার কলেজ, হয়েছে এখন।
কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে
২০০৭-এ এই কলেজটি হয়েছে।
এছাড়া কৃষ্ণনগর কলেজেতে সাক্ষ্য,
সংস্কৃত বিভাগে পোষ্ট গ্রাজুয়েট পাঠ্য।
এগুলি আগে থেকেই ছিল ব্যাবহৃত,
আপাতত এইগুলি হল সংগ্রহীত।
আরো কতকি যে হবে সময় সাপেক্ষে,
আমরা যদি তাঁদেরকে ধরে রাখি নেত্রে।
বিশেষ মানুষদিগের বিশেষ ঘটনা,
আছে বলে সমাজেতে নাম কতনা।
সেসব ঘটনাতে যে-রোমাঞ্চতা,
একলাই মুখে-মুখে গড়ে মুখরতা।
সেই কাহিনীর একটা বলি এইবার,
তিনি হন মদনমোহন তর্কালঙ্কার।।
বিদ্যাসাগর সংস্কৃত কলেজে অধ্যক্ষ,
সে-সময় মদনমোহন শিক্ষক হলেন তো।
মহাকবি কালিদাসের মেঘদূত পাঠ,
আক্ষরিক অর্থেই কাহিনী বিরাট —
ঘটে গেল এই নিয়ে সেইটাই বলি,
মানুষের উপলব্ধি কত যে বিরলি,
ভাবছ তো এই যুগে পুরানো ভাষায়
মিশায়ে কবিতা লিখা সত্যি কি যায়?
আমি বলি, প্রয়োজনে যখন যা চাই,
পুরানো, নতুন বলে কোনো ভাষা নাই।
নইলে কি জমে নাকি রস এ-কবিতার,
বিষয় মদনমোহন তর্কালঙ্কার।।
যদিও তাঁর কর্মস্থল হয় চার স্থান,
সংস্কৃত কলেজ ছাড়াও তিনি যে পড়ান —
ফোর্ট উইলিয়াম আর কৃষ্ণনগরে,
এই সব কলেজেতে সুনামের পরে —
বৃটিশ সরকার কতৃক ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট,
সমাজ সংস্কারেও তাঁর কৃতিত্ব অনেক।
নারীশিক্ষার জন্য তাঁর ছিল অবদান,
বেথুন স্কুল প্রতিষ্ঠায় ছিল তাঁর দান,
নানা সহযোগীতায় আসেন এগিয়ে,
কন্যা ভুবনমালা ও কুন্দবালাকে নিয়ে
সেই স্কুলে প্রথম ছাত্রী রূপে করে ভর্তি,
নারীদের মাঝে দেন এগুনোর শক্তি।
এছাড়া বাংলাভাষায় শিক্ষা সহ আরো —
নানা কুসংস্কার রুখা, অবদান তাঁরও,
বিদ্যাসাগরের সাথে সহযোগীতার —
প্রিয় বন্ধু মদনমোহন তর্কালঙ্কার।।
শিশুশিক্ষার তরে যে কালজয়ী বই,
বইয়ের নাম “শিশুশিক্ষা”, তাই নিয়ে কই,
১ম, ২য় ও ৩য় ভাগ লিখে
বাংলার ঘরে-ঘরে সুনাম চারদিকে।
নারীশিক্ষা ছাড়াও বিধবাবিবাহে
সমর্থন ও আন্দোলনে দিলেন এদিয়ে।
কবিতা রচনায় ছিল উচ্চ কবি সত্ত্বা,
দুই কাব্যগ্রন্থ, “রসতরঙ্গিনী” ও “বাসবদত্তা”।
তাঁহার কবিতাগুলি সকলের মনে
জমে আছে স্মৃতি মাঝে, নির্জন কোনে।
কিন্তু ভুলে গেছ তা কার রচনা,
উচ্চারণ করলে হবে অনুশোচনা,
কবিতার পঙক্তিগুলি আয়াসে নাচায়,
কবির নামটি শুধু মনে নেই হায়।
“সকালে উঠিয়া আমি মনে-মনে বলি,
সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি।
আদেশ করে যাহা মোর গুরুজনে,
আমি যেন সেই কাজ করি ভালো মনে।”
আরো আছে সঙ্গে কয়টা পঙক্তি,
এই কবিতা লেখা কার বুঝেছ সত্যি,
সেই সব মিষ্টি লেখা, কত চমৎকার,
তার কবি মদনমোহন তর্কালঙ্কার।।
১৮শ আটান্ন ৯ই মার্চ দিনে
এই গুণী আমাদের বেঁধে বহু ঋণে —
কান্দিতে কলেরায় আক্রান্ত ও ঘুম,
আমরা আজও তো তাঁর কাব্য কুসুম
পড়ি আর মনে রাখি, কত তৃপ্তকর,
সেইসব অনুভূতি কত সুখ বিস্তর।
“পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল,
কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল।”
এইসব কবিতাগুলি রচনাটা কার,
তিন হন মদনমোহন তর্কালঙ্কার।।
“পড়াশুনা করে যেই,
গাড়িঘোড়া চড়ে সেই।”
এসব কবিতা কত রসময়তার,
লিখেছেন মদনমোহন তর্কালঙ্কার।।
এইবার তাঁকে নিয়ে বলি এক গল্প,
তাঁকে নিয়ে যত বলি, মনে হয় অল্প।
দুটি নিজ কাব্যগ্রন্থ ছাড়াও অনুবাদে
হাত দিয়ে করেছেন বঙ্গীয় স্বাদে
চৌদ্দটি সংস্কৃত বই অনুবাদ করে
বাংলাভাষাকে উচ্চ কাব্য-রসে ভরে
এগিয়ে দিয়েছিলেন, কত পরিশ্রম,
তাঁদের প্রতি আমরা কতটা নির্মম।
বাংলা বলতে ও লিখতে না পারাটায়
বাঙালীজাতির আজ আভিজাত্য পায়।
আমরা ইতিহাস গড়ি তাঁদেরকে টেনে,
আবার তাঁদের নষ্ট করি সজ্ঞানে।
আমরা কি জানি আমরা কী চাইছি,
নিজেদেরই প্রতিবিম্ব করে ছিঃ ছিঃ।
সংস্কৃত কলেজে পাঠদান কালে —
ক্লাসের মাঝেতে এত মুগ্ধতার জালে
বেঁধে ফেলতেন তিনি, সব ছাত্রদের,
সেই অনুভূতি ছিল খুব রোমাঞ্চের।
পড়ানো শুরু করেন তিনি মেঘদূত,
তাই নিয়ে ঘটেছিল কাহিনী অদ্ভুত,
মহাকবি কালিদাসের সে মহাকাব্য —
সাধারণের কাছে ছিল বোঝার অসাধ্য।
সেটাই পড়ানো কাজ শুরু হল তাঁরই,
পাশাপাশি বাড়ি থেকে পুরুষ ও নারী —
চুপিচুপি বেরিয়ে এসে উঁকি মারতো,
পড়ানোর দক্ষতা কোথায় থাকতো।
দিনকয় এইসব দেখবার পরে —
কেউকেউ চলে এসে প্রতিবাদ করে —
বিদ্যাসাগরের কাছে, কী অপরাধ,
নারীরা বেরিয়ে আসে নিতে কাব্য সাধ —
ওই কোন লোকটা এসেছে শিক্ষক,
তার পড়ানোতে মুগ্ধ পাড়াতেই সব।
বিদ্যাসাগর বলেন, “বুঝেছি, ঠিক, ঠিক,
তিনি তো পড়ালে এমনটাই স্বাভাবিক।
সেই লোক মানে, এ দক্ষতা কার,
নিশ্চয়, মদনমোহন তর্কালঙ্কার।”
এই বলে কয়দিন পরে সে জানলায় —
মিস্ত্রী এসে পাটাতন সেঁটে দিয়ে যায়,
নইলে স্থানীয় লোক জটলা করে —
কলেজ ভাঙে যদি, জনশক্তি গড়ে।
সেসব মানুষদের পাবো কি আবার?
তাঁরাও মানুষ ছিলেন এই বাংলার!
আমরাও সেই বাংলারই বিদ্বজন,
কেন হতে পারিনা সেই জ্ঞান, আচরণ।
চিন্তা করো, মাইকেলের যুগে জন্ম,
মাইকেল তখন হননি প্রচারে অনন্য,
বন্ধুদের সহায়তায় কিছু খ্যাতি, নাম,
কেউই বোঝেনি তাঁর কী অবদান,
সেই সময়েতে বসে আধুনিক রঙে
কবিতাকে লিখছেন মুক্ত ঢঙে,
কবিতার অধিকারে কতটা ক্ষমতা,
সর্বশ্রেষ্ঠ কবিদের যোগ্য সমতা।
আঠেরোশো চৌত্রিশ ও ছত্রিশ সালে
ছাত্রাবস্থায় দুটি কাব্য বেরোয় সেই কালে,
১৮১৭-য় জন্ম, তাই তখন ছাত্র কাল,
এই বয়সে যখন তাঁর প্রথম সকাল,
তখনি এত প্রখর বোধ, দক্ষতা,
রচেন রসতরঙ্গিনী ও বাসবদত্তা।
অজানা আছে এ-দুই গ্রন্থ-প্রকাশক,
প্রথম তরুন কবি, নিজে হতে সব
কাজ করে করেছেন গ্রন্থ প্রকাশ,
তবে “বাসবদত্তা” নিয়ে আছে অবকাশ
নতুন কিছু জানা, প্রকাশক নিয়ে,
এর ২য় সংস্করণ সময় পেরিয়ে
১৮৯১ সাল, তা ফের নতুন করে,
প্রকাশিত হয়েছিল, সম্পাদনা পরে,,
পাওয়া ইতিহাস থেকে যেটা জানা যায়,
প্রকাশক সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়।
সম্পাদনা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগেন্দ্রনাথ, আর
জাতীয় গ্রন্থাগারে ক্যাটালগে প্রমান তার।
চৌদ্দটি সংস্কৃত কাব্য রচে অনুবাদে
প্রকাশ করেছিলেন টিকা যুক্ত সাজে।
এখানে একটা কথা, “বাসবদত্তা” নামে —
তাঁর দুইখানি গ্রন্থ পৃথক সম্মানে।
১ম বাসবদত্তা হল নিজের রচিত,
২য় বাসবদত্তা হল অনুবাদে স্থিত,,
কবি সুবন্ধুর লেখা এই গ্রন্থ কাজ,
সংস্কৃত থেকে বাংলায় তাঁর অনুবাদ।
অনুবাদ করেছেন কাব্য “কাদম্বরী”,
বাণভট্টের লেখা, এই গ্রন্থ পড়ি,
মহাকবি দন্ডির “দশকুমার রচিত”,
অসম্ভব দক্ষতায় বহু জ্ঞান খচিত,
ভারতীয় উপন্যাসের প্রথম যে গদ্য,
দন্ডির রচনাই প্রমাণ অনবদ্য।
অনুবাদ করেন আরো মদনমোহন,
এত অল্প আয়ুতে কী ভার বহন,
কালীদাসের “কুমার সম্ভব,” ও “মেঘদূত”,
সেই সাথে “রঘুবংশ”, অপূর্ব অদ্ভুত,
বিশাখ দত্তের লেখা “মুদ্রারাক্ষস”,
ভবভূতির “উত্তররামচরিত”-র রস
বাংলায় প্রস্ফুটিত হয়ে তাঁর হাতে,
সংস্কৃত কাব্য এলো বাংলাভাষাতে,
কবি মাঘের সুরচিত “শিশুপালবধ”,
শ্রী হর্ষের “খন্ডনখন্ডখাদ্য” বিষদ —
এসব অনুবাদ সহ আরো নানা গ্রন্থ,
আত্ম অনুভূতিতে কাজ করেছেন তো,
গবেষনা করে খুঁজে আরো জানবে,
বাঙালীর কৃতিত্বকে নিরবে মানবে।
কলিকাতা সংস্কৃত প্রেস প্রতিষ্ঠায়
যুক্ত হয়ে এগিয়ে দেন গ্রন্থ ছাপায়।
জ্ঞানের জন্য এ-জীবন উপহার,
তিনি হন মদনমোহন তর্কালঙ্কার।।
এসো কল্পনা করি, সে কলকাতায় —
কেমন ছিল সে শহর সেই দৃশ্যতায়,
সেই সব নারীগন, কোন মুগ্ধ টানে —
লজ্জা ভয় ফেলে দিয়ে এসে সেই স্থানে —
চুপচাপ উঁকি দিয়ে শুনেছিল তা,
কজনে বুঝবে এই দৃশ্য গভীরতা।
তাই নিয়ে প্রতিবাদ কেমন মজার,
জানা হলো, মদনমোহন তর্কালঙ্কার।।
সেই সংস্কৃত কলেজ, ছাত্র, শিক্ষক,
পাশাপাশি সেইসব বাড়ি আর পথ,
সেসব লাজুক নারী, সেকেলে সাজন,
সেকালের ঘরনায় চিন্তা, আচরণ,
সেকালের লাজ নিয়ে ঘর থেকে একা
বেরিয়ে আড়াল থেকে উঁকি দিয়ে দেখা —
তর্কালঙ্কারের “মেঘদূত” পড়ানো,
এইসব ভাবনা কী সুখের জানো?
শিক্ষাহীন নারীগন কী রসে মজে
উপলব্ধির স্তরে কাব্য-সুখ গুঁজে —
ঘর থেকে বেরিয়ে চুপচাপ এসে —
তর্কালঙ্কারের ক্লাসঘর ঠেসে
জানলায় উঁকি দিত “মেঘদূত”-মোহে,
পড়ানোর কী দক্ষতা, তুমি ভেবেছ হে,
তাঁদেরই বংশধর এ-বাঙালী জাত,
জ্ঞান ও জ্ঞানীদের করি উৎপাত।
আহা সে কেমন লেখা, মন হরিল ঃ–
পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল।
——————————–
[ রচনা ঃ ২৫-২৬ মার্চ ২০২৬ ]
বি-দ্র ঃ কবিতায় কোথাও তথ্যগত কোনো ভুল থাকলে মুদ্রনে তা কবির দ্বারা সংশোধন করা হবে, ঘটনা ও ছন্দের প্রবাহের সাথে সামঞ্জস্য রেখে। তবে, সম্ভাব্য সব রকম করে চেষ্টা করেছেন কবি তথ্য সঠিক রাখতে। তারপরেও কোনো তথ্যগত ত্রুটি কোথাও থাকলে ও তা জানা গেলে, কবি দ্বারাই সংশোধন করা হবে।
লেখক পরিচিতি :

ঋদেনদিক মিত্রো ( Ridendick Mitro ), কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত। পেশাগতভাবে তিনি কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার ও কলামিস্ট—ইংরেজি, বাংলা ও স্প্যানিশ ভাষায় লেখেন। পাশাপাশি বিজ্ঞান-গবেষক; সমীকরণের প্রক্রিয়ায় ‘HISTORY MATH’ উদ্ভাবন করেছেন। মহাকাশবিজ্ঞান ও নানা উপপাদ্য নিয়েও কাজ করছেন; রোগ-নিরাময়ের ব্যতিক্রমী প্রক্রিয়াসহ আরও বিষয় নিয়ে গবেষণারত। ২০২৪ পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত একক গ্রন্থের সংখ্যা বাইশ-তেইশ; আরও অনেক বই প্রকাশের অপেক্ষায়। নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ও তাঁর ধারাবাহিক ও বর্তমান তথ্য নিয়ে লিখেছেন দশ হাজার পঙক্তির এক মহাকাব্য—প্রকাশিত হবে। অন্যান্য লেখা তো আছেই, সেগুলি আলাদা, কিন্তু এই দেশ ও বিশ্ব-ইতিহাস নিয়ে বাংলা ও ইংরেজিতে অজস্র কবিতা, গান ও গদ্য রচনার কারণে ভারতের স্বাধীনিতার মূল স্বাধীনতার যুদ্ধের এই ইতিহাস-রক্ষার আন্দোলনে তিনি একজন ‘Movement Poet’ বা “আন্দোলন কবি” হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত হন। এই কাজের স্বীকৃতিতে নবাব সিরাজউদ্দৌলা স্মৃতি সুরক্ষা ট্রাস্ট তাঁকে ‘ইন্টারন্যাশনাল সবুজ সেনা সম্মান-২০২৩’ প্রদান করে, এই কাজের সফলতাকে Officially তালিকাবদ্ধ করে।
যদিওবা এই সংস্থার সাথে যুক্ত থাকা দেশ বিদেশের বহু গুণীজন নানা গুণে সমৃদ্ধ। লাখোলাখো নেটিজেন, সিটিজেন, গবেষক, উন্নত চিন্তার ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, বহু দাতা, ব্যাবসায়ী, চিকিৎসক, আইনবীদ, সমাজসেবী, নিরপেক্ষ মনের রাজনীতি ব্যাক্তি, শুদ্ধ ইচ্ছার সরকারি চাকুরে, কবি, লেখক, সাংবাদিকের সহায়তায় এই আন্দোলনের পটভূমি সমৃদ্ধ। কেউ কারুর চেয়ে চিন্তা ও কর্মে কম বেশি নন। কিন্তু, বিষয়ের পদ্ধতিগত পথে ঋদেনদিক এই সম্মান লাভ করেন। যেমন আরো অনেকেই তাঁদের কাজের জন্য সম্মানীত হন, নানা প্রকরণে। আর এই কাজে আত্মবিশ্বাস দিয়ে প্রথম যোগাযোগ করান বিখ্যাত গবেষক সাংবাদিক মানস সিনহা। তারপর সহায়তা করেন একেএকে বিভিন্ন গুণী গবেষক সাংবাদিক ও অন্যান্য কর্মের সকলেই।
পৃথিবীতে প্রথম নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও সংযুক্ত ইতিহাস নিয়ে স্প্যানিস কবিতা তিনিই প্রথম কবিতায় লিখে সফলতা পান। সারা বিশ্বে কুড়ি-একুশটি স্প্যানিসভাষী দেশের কাছে এই পুরানো ইতিহাস ও ইতিহাস রক্ষার আন্দোলন ও এর ভিতর থাকা কাব্য চেতনাকে প্রথম ইনিই পৌঁছে দেন। প্রায় নব্বুই লাইনের অন্তমিল এই স্প্যানিস কবিতা স্পেনের আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকেই প্রকাশিত হয়। এর পিছনে এই আন্দোলনের জগত ও এই ট্রাস্ট সমর্থন দিয়ে আত্মবিশ্বাস না দিলে কোনোদিনই সম্ভব হতো না। এটাই কবির অভিমত। এই ট্রাস্টের ফাউন্ডার সমর্পিতা দত্ত। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক সাহিত্যে এম-এ, অভিনেত্রী, শিক্ষাবিদ, গবেষিকা, সুরকার, গীতিকার, লেখিকা, ডাইরেক্টর, গায়িকা এবং একজন Social Reformer.
ঋদেনদিক অন্যান্য স্প্যানিস কবিতা লিখে আগে সফলতা পেলেও, খুব কষ্ট করে পরপর এই ভাষায় এগিয়ে গেলেও, নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও এই ইতিহাস নিয়ে ধারাবাহিক তথ্য ও এর ভিতর থাকা কাব্য চেতনাকে মাত্র একটি Standard Size কবিতায় তথ্য ও উপযুক্ত গভীরতা প্রকাশ করে সব স্প্যানিসভাষীদের কাছে পৌঁছে দিতে চেয়ে প্রথমে হতম্ভব হয়েছিলেন। কারণ, এত বিরাট ব্যাপারকে কিকরে এত অল্প আয়তনে সঠিক আকারে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। প্রায় এক বছর তিনি এই নিয়ে ভাবেন, ও প্রায় তিন-চার মাস ধরে কাজ করে, বারবার অদলবদল করে, সব দিকের ভারসাম্য রেখে, তারপর কাজটাকে সব বিষয়ের উপযুক্ত করেই পারফেক্ট করেন। তারপর প্রকাশিত হয়।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই নবাব সিরাজউদ্দৌলা স্মৃতি সুরক্ষা ট্রাস্ট এই ইতিহাস রক্ষাকেন্দ্রিক আন্দোলন ও অন্যান্য দিক চালাতে গিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রিয় সরকারের সাথে, সরকারি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সাথে ও এই কেন্দ্রিক ইতিহাস রক্ষার অন্যান্য সংস্থার সাথে সম্মিলিত হয়েই কাজ করেন, এবং ভারত সরকার দ্বারা স্বীকৃত ও দায়িত্ব দান করা বাংলা দেশে থাকা নবাব সিরাজউদ্দৌলার বংশধরের প্রতিনিধি ও এখনো নবাব উপাধিতে থাকা ভারতের নবাব মিরজাফরের পরিবারের সাথে সম্মিলিতভাবেই এই ট্রাস্টের যুক্ত।
এছাড়া Art Mother Earth Foundation থেকে পেয়েছেন ‘ইন্টারন্যাশনাল জেম অফ দি আর্থ’ পুরস্কার। এই আন্তর্জাতিক শান্তি-কার্যক্রমের ফাউন্ডেশনটি জাতিসংঘ, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডা সরকারের সমর্থন প্রাপ্ত। একই সাথে এই ফাউন্ডেশন সমর্থন পেয়েছে, শান্তিতে নোবেলজয়ী HIS HOLINESS দালাই লামা, কলকাতার মেয়র, নিউজিল্যান্ডের একটি শহরের মেয়র, বাংলাদেশের কিছু সাংবাদিক ক্লাব, বহু ভারতীয় ও বিদেশি সংবাদমাধ্যম, ব্যক্তি, নেটিজেন ও সংগঠন থেকে। ঋদেনদিক মুর্শিদাবাদ থেকে পেয়েছেন ‘সৈয়দ আহসান আলী স্মৃতি পুরস্কার’ সহ আরও অনেক সম্মাননা।
কলকাতার এক বৃহৎ প্রকাশনা সংস্থা তাঁর ‘MATH POETRY’ ধারণাকে প্রামাণ্য বলে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং এটি একাধিক ডক্টরেটের গবেষণা-গ্রন্থে ও নানা নিবন্ধে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তিনি চলচ্চিত্রের গীতিকারও; তাঁর কিছু গান বিভিন্ন সংগঠন ও স্কুলে থিম সং ও প্রার্থনা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তিনি সমাজসংস্কারক, মুক্ত চিন্তার পদ্ধতির পক্ষে এবং সাহসী বক্তা। দেশ-বিদেশে বিভিন্ন পুরস্কার ও সংবর্ধনা পেয়েছেন; আন্তর্জাতিক শান্তি-কাজে যুক্ত। তাঁর স্প্যানিশ কবিতাগুলো স্পেন থেকেও প্রকাশিত হয়। ভারত থেকেও। বহু ব্যতিক্রমী সৃষ্টিকর্ম তিনি সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। অবর্ণনীয় প্রতিকূলতা পেরিয়ে তিনি স্বপ্ন ও কাজকে ক্রমশ প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
এই ঋদেনদিক মিত্রো, প্রথম ভারতের সংবিধানের লুকানো ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করেন; শতাধিক যুক্তিতে ড. বি. আর. আম্বেদকর ও তাঁর সহযোগীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত বড় ভুলগুলো দেখিয়ে তা জাতি ও বিশ্বের নজরে আনেন—এতে আম্বেদকর-অনুসারীরা বিস্মিত হন, আর জনগন বিকল্প পথের প্রয়োজন বুঝতে শুরু করে। এই লেখাগুলো সরকারি নথি ও প্রভাবশালী সাময়িকীতে আলোচিত হয়।
দেশে-বিদেশে তাঁর চিন্তা, দৃষ্টিভঙ্গি ও কাজ বহু মানুষকে সমাজ ও বিশ্বকে নানা দুর্দশা থেকে মুক্ত করার উপায় ভাবতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
তিনি বলেন, অসহায় প্রাণীদের প্রতি মমতা ও ভালোবাসা ছাড়া পৃথিবীতে শান্তি আসতে পারে না, কারণ এই গুণ না থাকলে মানুষের বদভ্যাস বদলায় না। গাছপালা নিয়েও তাঁর মূল্যবান মত রয়েছে।
ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে তিনিই প্রথম প্রকাশ্যে ‘ARYAN’ শব্দটিকে নিজের জাতি-পরিচয় হিসেবে লেখেন। যুক্তি দিয়ে দেখান—জাত-পরিচয়গুলো ব্যক্তির সুবিধা বা শাসকব্যবস্থার চাপে তৈরি, বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই এবং গোঁড়ামির শিকার। তাঁর দাবি—‘আর্য’ মানে প্রগতিশীল চিন্তা, পরিশীলিত আচরণ, ন্যায্য বিচার ও যুক্তিনিষ্ঠ দর্শনের মানুষ, যিনি দেশ-বিদেশের সবার সঙ্গে পক্ষপাতহীনভাবে মিশতে পারেন এবং মুক্ত জ্ঞানের মূল্য দেন। এই বৈশিষ্ট্যের মানুষদের নিয়েই একটি স্বতন্ত্র ‘আর্য’ জাতি ও জাত পরিচয়, সম্মিলিতভাবে গঠিত হওয়া উচিত; নইলে প্রগতিশীল ব্যক্তিরা অধিকার ও অস্তিত্ব রক্ষায় পিছিয়ে পড়বেন—এই দৃষ্টিভঙ্গি সর্বত্র আলোচনা জাগাচ্ছে। এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জ্ঞান চর্চার সংস্থা থেকে তাঁর এই মতবাদ সমর্থিত ও প্রচারিত হচ্ছে, বিশ্ব শান্তির প্রয়োজনে।
তিনি আরো যুক্তি দেখান, কারও আচরণ যদি ‘আর্য’-সুলভ হয়, তবে বৈজ্ঞানিকভাবে ধরে নেওয়া যায় যে, নিকট বা দূর থেকে তিনি সেই রক্তধারা বহন করছেন, ফলে এই পরিচয় বহন সত্য ও সংগত। এর বাইরে চাপিয়ে দেওয়া ইচ্ছা বা আজব ইচ্ছে সম্পন্ন মানুষের তৈরি আইন সত্য হতে পারে না।
ঋদেনদিক আরো বলেন, বিভ্রান্ত সৃষ্টিকারী মানুষদের মুখোমুখি এবং বিভ্রান্তে শিকার হওয়া মানুষদের পাশে সৎ, সাহসী ও মুক্তচিন্তার মানুষ যদি ন্যায় ও যুক্তির পক্ষে না দাঁড়ান, তবে সৎ ও মুক্ত চিন্তার মানুষেরা নিজেদের মূল্য ও মর্যাদা ধরে রাখতে পারবেন না।
তিনি আরো বলেন, “দেশে যদি জাত-ব্যবস্থা নানা রূপে চাপিয়ে দিয়ে আইনি বৈধতা দেওয়া হয়, তবে তা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রয়োগের দাবি করা অন্যায় হবে কেন?
‘আর বৈজ্ঞানিক পথে বিভাজন যদি করা হয়েছিল, তাহলে কারা পিছিয়ে বলে গন্য হবে , কেন হবে, সেটার বিজ্ঞানগত প্রমান কী—উদ্দেশ্যটা কী?
‘তদুপরি, তথাকথিত জাত-ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত ও তার গ্রহণযোগ্যতার পেছনের কারণ ও যুক্তি রহস্যে ঢাকা। কে ঠিক করে কোন জাত উঁচু বা নিচু—কেন, কীভাবে? কোন ভিত্তিতে এসব সিদ্ধান্ত বদলায়, কখন বদলায়? এই ইচ্ছেগুলোর পেছনে কারা, সত্যিটা কী—স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলে না।
‘যে ব্যাখ্যা মেলে, তা চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত, আর নানা কৌশলে জনগণকে বোঝাতে নাটকীয়ভাবে হাজির হয় অদ্ভুত এজেন্টরা। হায়! নাগরিক হিসেবে কারণ জানতে চাওয়াটা কি অন্যায়? রাষ্ট্র বা বিশ্ব কি সবার নয়? কে কার ওপর ইচ্ছা চাপায়, কেন চাপায়? আবার দেখুন—কে ঠিক করে কোন ক্ষেত্রে, কেন, কাকে এই শ্রেণিবিন্যাসে হীন বা শ্রেষ্ঠ ধরা হবে? কার কর্তৃত্বে, কোন আইনে? সবই অস্পষ্ট, আর কৌশলের উপস্থাপনাই সার।”
তাঁর যুক্তিপূর্ণ বক্তব্য ও সাহসী প্রয়োগ দেশ-বিদেশের সবাইকে বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভাবিয়েছে, আর সংশ্লিষ্ট মহল এই মুক্ত চিন্তার যুক্তিকে উপলব্ধি করে উদ্বিগ্ন হয়েছে। আসলে সঠিক সমাজ গঠনে এই চিন্তাগুলি সঠিক শান্তি প্রেমীদেরকে আপ্লুত করছে।
———————————–
|| সম্পাদকের তরফে ||
যে কোনো লেখা, মতামত, আমাদেরকে পাঠানো তথ্য, সমালোচনা ও সংশ্লিষ্ট যে কোনো বিষয়ের জন্য প্রেরক পক্ষ দায়ী। সম্পাদক ও পত্রিকা বা প্রকাশকের সহযোগী কেউ নয়। অন্যদিকে আমরাও প্রকাশ করি, আমাদের জ্ঞানে যেটা চিন্তা নিরপেক্ষ, সেটাই। বিপরীতে পাঠক পাঠিকাগন সেগুলি পড়ে, যুক্তিগ্রাহ্যভাবে বিভিন্ন দিক সমর্থন বা অসমর্থন করতে পারেন। কিন্তু বিবেক নিরুপেক্ষতা অনিবার্য। চিন্তার জগৎ এইভাবেই এগিয়ে সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
—- সম্পাদক
The dol festival of Nabadwip, a column by Shyamal Mondal is an wonderful english writing. We as readers need his…
অমর প্রেম: স্বার্থহীন বন্ধনের এক মানবিক উপাখ্যান মানবজীবনের সবচেয়ে গভীর ও পবিত্র অনুভূতির নাম প্রেম। এই প্রেম কখনো রোমান্টিক সম্পর্কের…
কবি ফরিদ হোসেন হৃদয় এর "মিলে মিশে ঈদ করব" কবিতায় হাতটা বড় মিষ্টি, কবি প্রমান করলেন। আমি আগেই বলি, আমি…
শ্যামল মণ্ডল রচিত "ছেলের চিঠি" কবিতার পর্যালোচনা পর্যালোচনায় : শংকর হালদার শৈলবালা আলোচনা কাল : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ◆ ১.…
শংকর হালদার শৈলবালা রচিত “পণ্যের হাটে ঈশ্বর" কবিতার পর্যালোচনা পর্যালোচনায় : ভাষাবিদ অপরাজেয় আলোচনা কাল : ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ◆…