আমার ভারত মহান
নীতা কবি মুখার্জী

ধন্য আমার জন্মভূমি রত্ন-গর্ভা তুমি,
তোমার কোলে জন্ম নিয়ে ধন্য হয়েছি আমি।
দুশো বছরের পরাধীনতার সমাপ্তি ঘটেছে জানি,
সোনার ভারত গড়তে পারিনি, মনে আজও সেই গ্লানি।
প্রজাতন্ত্র মানে স্বাধীন ভারত ,স্বাধীন মনেপ্রাণে,
প্রজাতন্ত্র মানে গরীব-গুর্বো বাঁচবে সসম্মানে।
যে প্রজাতন্ত্রে থাকবে না কোনো ভেদাভেদ, জাতপাত!
যে প্রজাতন্ত্রে পথের শিশুরা পেট ভরে খাবে ভাত!
এই প্রজতন্ত্র চাননি কখনো বীর নেতাজী সুভাষ!
এই প্রজাতন্ত্রে ক্ষুদিরাম বসু করেন যে পরিহাস।
এই সার্বভৌমত্বে ভারত-মাতার লজ্জা করেনি হ্রাস,
এই প্রজাতন্ত্র স্বার্থসিদ্ধি, জনতার হাঁসফাঁস।
রক্তনদী বইয়েছে বীর স্বাধীনতা আনয়নে,
এই স্বাধীনতা কত কষ্টের, মূল্য দিতে কেউ জানে?
ভারত মায়ের বীরপুত্ররা গর্জে উঠেছে যেদিন,
ইংরেজ ভূত ভয় পেয়েছিল, দেশ ছেড়েছিল সেদিন।
বিনয়, বাদল, সূর্য সেন আরো কতো বীর ছেলে,
ফাঁসির মঞ্চে জীবন দিয়েছে, হাসি মুখে গেছে জেলে।
ইংরেজ গেছে কিন্তু এখনো আছে যে মীরজাফর,
নিজের দেশকে অন্ধকারে ঠেলে দিতে তৎপর।
ভারত মায়ের ছেলেদের মনে রয়েছে এখনো রাগ।
নেতা-মন্ত্রীদের লোভের পাহাড় করছে দেশকে ভাগ।
হিন্দু মুসলিম ছিলো ভাই ভাই, এক মাটি ,এক দেশ,
অভাবের মাঝে কাটাতো জীবন, সুখে ছিলো তবু বেশ।
ভেদনীতি আর বিষ ঢেলে দিল, এলো চির মলিনতা,
ভাইয়ের রক্তে ভাই স্নান করে ,, এ কি বিভৎসতা?
স্বাধীন আমরা! স্বাধীন হয়েছি!, তবুও বঞ্চিত মানুষের ঢল,
ধনের পাহাড়ে বসে থাকে ধনী, ধুঁকছে নিরন্ন, দুর্বল।
ধন্য ভারত, ধন্য জননী! স্যালুট, তোমাকে সেলাম!
স্বাধীনতা-সংগ্ৰামী সকল বীরের চরণে করি প্রণাম।
স্বাধীনতা সংগ্ৰামীদের চোখের স্বপ্ন পূরণ করবে কে?
শিক্ষাঙ্গনে স্বপ্নরা মরে, অবক্ষয় গ্ৰাস করেছে যে!
টাকার পাহাড়ে উন্মত্ততা, নারী-লোভীদের রাজ,
ভারতবর্ষের সোনার খনিতে অহরহ পড়ে বাজ।
অযোগ্যজন শিক্ষক হন, যোগ্যতা আজ বঞ্চিত,
বঞ্চনা একদিন বারুদ হয়ে করবে ক্ষত-বিক্ষত ।
একশো-চল্লিশ কোটি সন্তানের দেশে মা-যে কেঁদে ফেরে,
যে যা পারিস দেশের সম্পদ লুটেপুটে নে রে!
নেতাজীর মতো সন্তান যদি ফিরে আসে আর একবার,
মাথা উঁচু করে দাঁড়াবো আমরা, হীনতা ঘুচবে সবার।
ধন্যবাদ মহাশয়
শ্যামল মণ্ডল রচিত "লোহার ভিতর দিয়ে হাঁটা" (১ম পর্ব) গল্পের পর্যালোচনা ◆ পর্যালোচনায় : শংকর হালদার শৈলবালা ◆ আলোচনা কাল…
Thanks for sharing. I read many of your blog posts, cool, your blog is very good.
গল্পটি প্রকাশ করার জন্য কর্তৃপক্ষকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
কর্তৃপক্ষকে অসংখ্য ধন্যবাদ