Spread the love

সেই ছেলেটাই বঙ্গবন্ধু
কলমে- আবু সাঈদ

****************,,
কে ভাবিতো টুঙ্গিপাড়ার
ছোট্ট ছেলের কথা
দিনে দিনে বড় হয়ে
হবে বিশ্ব নেতা?
কথা যেন যাদুর কাঠি
সবাই মুগ্ধ হবে,
স্বপ্নবাজী সেই ছেলেটাই
হৃদয় জুড়ে রবে।
তারুণ্যেতে যেই ছেলেটা
লড়াই করতে নামে
দেশ জনতার ন্যায় অধিকার
আদায়ের সংগ্রামে।
কে জানিতো গড়বেন তিনি
স্বাধীন জনতা,
মুগ্ধ হবে মানুষ প্রীতি
মাটির মমতা।
কে জানিতো সেই ছেলেটি
হবে মমের মতো?
নিজে জ্বলে অন্ধকারটা
করবে আলোকিত!
কে জানিতো সেই ছেলেটির
অগ্নিঝরা ভাষণ,
বদলে দেবে পূর্ব বাংলা
দূর করিবে শোষণ।
কে ভাবিতো সেই ছেলেটি
করবে বিশ্ব জয়
শহীদ হয়েও বেঁচে রবে
হবেনা তার ক্ষয়।
কে ভাবিতো তার পদ্ ধূলায়
ধন্য হবে মাটি,
নিজের হাতে গড়বেন তিনি
মুজিব নামের ঘাটি।
যেই ছেলেটির রাজ চাষনে
মাটি হলো সজীব,
সেই ছেলেটিই বঙ্গবন্ধু
প্রাণের শেখ মুজিব।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর
প্রতি ভাঁজে ভাঁজে
মিশে আছে পরম মায়ায়
বাংলা মাটির মাঝে।
খাঁচা থেকে মুক্ত করা
যার অসীম অবদান,
তিনিই হলেন বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমান।
ঊনিশ শত বিশে জন্ম
পঁচাত্তরে হয় শেষ,
তাঁর কারণে স্বাধীন পেলাম
সোনার বাংলাদেশ।
যার কারণে স্বাধীন পেলাম
মাটির মায়ার সিন্ধু,
তিনিই হলেন জাতির পিতা
প্রাণের বঙ্গবন্ধু।

You missed

পুনরাবৃত্তি ©অঞ্জলি দে নন্দী, মম আমার বয়স তখন অধিক নহে। বিদ্যালয়ের নিম্ন শ্রেণীর ছাত্রী। বঙ্গ ভাষায় পাঠ্যরূপে সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মহাশয়ের কপালকুণ্ডলার কিয়দংশ পাঠ করান হইত। আমি শ্রেণীর খুব মেধাবিনী পঠিয়ত্রী ছিলুম। আমি প্রথম স্থান অধিকার করিয়া প্রত্যেক বৎসর ঊর্ধ্ব শ্রেণীতে গমন করিতুম। ঐ পাঠ্যের এক পত্রে বঙ্কিমচন্দ্র মহাশয় কতৃক লিখিত হইয়াছিল, ” তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন? ” পাঠ্যে ওই অংশটির নাম ছিল, ‘সাগর সঙ্গমে নবকুমার’। যাহা হউক- আমার চিত্তে এই বাক্যটি গভীরভাবে রেখাপাত করিয়াছিল। আমার সহিত উক্ত সময় নবকুমার বাবুর সহিত যেইরূপ ঘটিয়াছিল ঐরূপ কিছু ঘটিলে আমি তাহাকে ঠিক ঐরূপভাবেই গ্রহণ করিতুম। কিন্তু এই সময়ে আমি উহাকে পরিবর্তীত করিয়া লইয়াছি। এইরূপে – তুমি অতিশয় অধম সেইহেতু বলপূর্বক আমাকেও ঠিক তোমারই স্বরূপ অতি অধমে রূপান্তরিত করিতে চাহিতেছ। আমি অতি অধম না হইলে তুমি আমাকে কৌশলে এই ইহলোক হইতে পরলোকে পাঠাইয়া দিবে। সেইহেতু আমি মৃত্যুলোকবাসীনি না হইবার কারণ বসত তোমাকে সন্তুষ্ট করিবার হেতু মিথ্যা অভিনয় করিয়া তোমাকে দৃশ্য করাইয়া চলিতেছি যে আমিও তোমার স্বরূপই অতি অধমে পরিণত হইয়াছি। বাস্তবিকই তোমার প্রচেষ্টা সার্থক হইয়াছে। আমি আর পূর্বের ন্যায় অতি উত্তম নহি। কিন্তু তুমি কদাপি বুঝিতে পার নাই যে আমি প্রাণে বাঁচিয়া থাকিবার নিমিত্ত তোমার সম্মুখে এইরূপ মিথ্যা, নকল অভিনয় করিতেছি। আদৌই আমি অধম হই নাই। পূর্বে যেইরূপ অতি উত্তম ছিলুম অদ্যাপি ঐরূপই বিদ্যমান রহিয়াছি। কেবলমাত্র একটি নকল আবরণ ধারণ করিয়াছি। নতুবা অকালে তোমার হস্তে আমার প্রাণ বিসর্জিতা হইত। তদপেক্ষা ইহা অধিকতর সঠিক পথ বলিয়া আমা কতৃক ইহা বিবেচিতা।