Month: May 2024

কবিতা : চকমকি দুজন- ঋদেনদিক মিত্রো ( ভারত)

কবিতা : চকমকি দুজন ————————————- ঋদেনদিক মিত্রো ( ভারত) চকমকি পাথরের মত তাকিয়ে আছি, তুমি রোদ হয়ে মজিয়ে দিলে তার মজলিস, ভালোবাসা কি কোনো শব্দ, নাকি জীবিত কোনো সঙ্গতি, এসব…

শিক্ষা ও অসঙ্গতি : মোঃ ইরতিজা রউফ জোয়ার্দ্দার

শিক্ষা ও অসঙ্গতি মোঃ ইরতিজা রউফ জোয়ার্দ্দার ধ্বংসের পথে দেশের শিক্ষা ব্যাবস্থা, এটাই দেশের বর্তমান অবস্থা। অর্থের বিনিময়ে প্রশ্নপত্র হয় ফাঁস, যেটা দেখে জাতি হয় হতাশ। শিক্ষা ব্যাবস্থায় ঢুকে গেছে…

যদি কোনো ছেলে মেয়ে আর্থিক অসুবিধা থাকার কারণে পড়াশোনা করতে পারছে না, তাহলে তারা এখানে আসতে পারে। সম্পূর্ণ বিনা খরচে হোস্টেল এবং স্কুল। কোনো টাকা লাগবে না। Pre-Primary থেকে মাধ্যমিক।

যদি কোনো ছেলে মেয়ে আর্থিক অসুবিধা থাকার কারণে পড়াশোনা করতে পারছে না, তাহলে তারা এখানে আসতে পারে। সম্পূর্ণ বিনা খরচে হোস্টেল এবং স্কুল। কোনো টাকা লাগবে না। Pre-Primary থেকে মাধ্যমিক।…

কবিতা (চারশ বিয়াল্লিশ পংক্তির মহাকবিতা): কবি চন্দ্রাবতী ও চন্দ্রকুমার দে || ঋদেনদিক মিত্রো || ৪৪২ পংক্তি ||

কবিতা : কবি চন্দ্রাবতী ও চন্দ্রকুমার দে || ঋদেনদিক মিত্রো || ৪৪২ পংক্তি || || আগে নিচে নেমে কবিতার শুরু ও একদম নিচে নেমে শেষ অবধি দেখে নিয়ে মন ঠিক…

রোদের আলো গায়ে মেখে নাও : বিমল কৃষ্ণ রায় 

রোদের আলো গায়ে মেখে নাও বিমল কৃষ্ণ রায় বাইরে এসো,বাইরে এসো, আর থেকোনা অন্ধকারের- বদ্ধ ঘরে, অজ্ঞানতার ময়লা ধুলো ঝেড়েই ফেলো, জীবনটাকে বুঝতে শেখো- নতুন করে। কেউ কারো নয় ব্যস্ত…

প্রমা, পর্ব৬ ‌‌: দর্পণা গঙ্গোপাধ্যায় 

প্রমা, পর্ব৬ ‌‌দর্পণা গঙ্গোপাধ্যায় সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রমা দেখে সারা দালানের মেঝে জুড়ে পূজোর আয়োজন। এক পাশে পূর্ব দিক ঘেঁষে খড়ের বিঁড়ের ওপরে বসানো পাঁচখানা পরপর মাটির কলসি। মুখে…

ধারাবাহিক গল্প: প্রমা , পর্ব-৫ দর্পণা গঙ্গোপাধ্যায়

ধারাবাহিক গল্প: প্রমা , পর্ব-৫ দর্পণা গঙ্গোপাধ্যায় ঘরবাড়িগুলো সব পুরনো সেকেলে একটা বন্ধু-বান্ধব এলে ঘরে কোথায় বসবে ? টুকু টুকুর বাবাকে প্রশ্ন করে , জানো সর্বাণী মৈত্রের বাড়ি কত বড়ো?…

ধারাবাহিক গল্প: প্রমা, পর্ব-৪- দর্পণা গঙ্গোপাধ্যায়

প্রমা-৪ দর্পণা গঙ্গোপাধ্যায় প্রমা আবার দিদার মাছ খাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলে ,আচ্ছা তুমি মাছ খাও না কেন ? মানে মাছ খাওয়া ছাড়লে কেন ? এ বাড়িতে তো কেউ ডিম মাংস…

You missed

পুনরাবৃত্তি ©অঞ্জলি দে নন্দী, মম আমার বয়স তখন অধিক নহে। বিদ্যালয়ের নিম্ন শ্রেণীর ছাত্রী। বঙ্গ ভাষায় পাঠ্যরূপে সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মহাশয়ের কপালকুণ্ডলার কিয়দংশ পাঠ করান হইত। আমি শ্রেণীর খুব মেধাবিনী পঠিয়ত্রী ছিলুম। আমি প্রথম স্থান অধিকার করিয়া প্রত্যেক বৎসর ঊর্ধ্ব শ্রেণীতে গমন করিতুম। ঐ পাঠ্যের এক পত্রে বঙ্কিমচন্দ্র মহাশয় কতৃক লিখিত হইয়াছিল, ” তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন? ” পাঠ্যে ওই অংশটির নাম ছিল, ‘সাগর সঙ্গমে নবকুমার’। যাহা হউক- আমার চিত্তে এই বাক্যটি গভীরভাবে রেখাপাত করিয়াছিল। আমার সহিত উক্ত সময় নবকুমার বাবুর সহিত যেইরূপ ঘটিয়াছিল ঐরূপ কিছু ঘটিলে আমি তাহাকে ঠিক ঐরূপভাবেই গ্রহণ করিতুম। কিন্তু এই সময়ে আমি উহাকে পরিবর্তীত করিয়া লইয়াছি। এইরূপে – তুমি অতিশয় অধম সেইহেতু বলপূর্বক আমাকেও ঠিক তোমারই স্বরূপ অতি অধমে রূপান্তরিত করিতে চাহিতেছ। আমি অতি অধম না হইলে তুমি আমাকে কৌশলে এই ইহলোক হইতে পরলোকে পাঠাইয়া দিবে। সেইহেতু আমি মৃত্যুলোকবাসীনি না হইবার কারণ বসত তোমাকে সন্তুষ্ট করিবার হেতু মিথ্যা অভিনয় করিয়া তোমাকে দৃশ্য করাইয়া চলিতেছি যে আমিও তোমার স্বরূপই অতি অধমে পরিণত হইয়াছি। বাস্তবিকই তোমার প্রচেষ্টা সার্থক হইয়াছে। আমি আর পূর্বের ন্যায় অতি উত্তম নহি। কিন্তু তুমি কদাপি বুঝিতে পার নাই যে আমি প্রাণে বাঁচিয়া থাকিবার নিমিত্ত তোমার সম্মুখে এইরূপ মিথ্যা, নকল অভিনয় করিতেছি। আদৌই আমি অধম হই নাই। পূর্বে যেইরূপ অতি উত্তম ছিলুম অদ্যাপি ঐরূপই বিদ্যমান রহিয়াছি। কেবলমাত্র একটি নকল আবরণ ধারণ করিয়াছি। নতুবা অকালে তোমার হস্তে আমার প্রাণ বিসর্জিতা হইত। তদপেক্ষা ইহা অধিকতর সঠিক পথ বলিয়া আমা কতৃক ইহা বিবেচিতা।